ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
রাকিব খান: রমজান মাস মুসলমানদের জন্য রহমত, বরকত ও নাজাতের মাস। এই মাসে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য বিভিন্ন ইবাদতের ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো ইতিকাফ। ইতিকাফ মূলত আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট সময় মসজিদে অবস্থান করা এবং বেশি বেশি ইবাদতে নিজেকে ব্যস্ত রাখা।
ইতিকাফের মাধ্যমে একজন মুসলমান দুনিয়ার ব্যস্ততা থেকে কিছু সময়ের জন্য নিজেকে আলাদা করে আল্লাহর দিকে মনোনিবেশ করেন। নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির, দোয়া ও তাওবার মাধ্যমে নিজের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করার গুরুত্ব অনেক বেশি। কারণ এই সময়েই রয়েছে মহিমান্বিত লাইলাতুল কদর, যে রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।
রাসুলুল্লাহ (সা.) নিয়মিত রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন। হাদিসে বর্ণিত আছে, তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রতি বছর রমজানের শেষ দশ দিন মসজিদে ইতিকাফ পালন করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি উম্মতকে এই গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের প্রতি উৎসাহিত করেছেন।
ইতিকাফ মানুষের অন্তরে তাকওয়া ও আল্লাহভীতি জাগ্রত করে। এটি মানুষের আত্মাকে গুনাহ থেকে দূরে রাখে এবং ইবাদতের প্রতি আগ্রহ বাড়ায়। একই সঙ্গে মানুষ নিজের ভুলত্রুটি নিয়ে চিন্তা করার এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ পায়।
আজকের ব্যস্ত জীবনে মানুষ দুনিয়ার নানা কাজে এতটাই ডুবে থাকে যে অনেক সময় আল্লাহর স্মরণ থেকে দূরে সরে যায়। ইতিকাফ সেই ভুলে যাওয়া সম্পর্ককে নতুন করে দৃঢ় করার এক অনন্য সুযোগ এনে দেয়। তাই আমাদের উচিত রমজানের শেষ দশকে অন্তত কিছু সময় হলেও ইতিকাফের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করা।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ