নারী আসনে আলোচনায় অ্যাডভোকেট জেসমিন

নারী আসনে আলোচনায় অ্যাডভোকেট জেসমিন

সামজাদ জসি, স্টাফ রিপোর্টার: সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বইছে নির্বাচনী হওয়া। এরই ধারাবাহিকতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন রাজপথের লড়াকু ও পরীক্ষিত নেত্রী অ্যাডভোকেট জেসমিন আক্তার। তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও পারিবারিক সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে মূল্যায়নের এটিই শ্রেষ্ঠ সময়।

অ্যাডভোকেট জেসমিন আক্তার কেবল একজন নেত্রীই নন, তিনি একটি সংগ্রামী ইতিহাসের উত্তরাধিকার। ২০০৬ সালের ২৭ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বোমা হামলায় নিহত জেলা বিএনপির তৎকালীন সহ-সভাপতি শহীদ অ্যাডভোকেট শেখ মো. হাবিবুল্লাহর পরিবারের সদস্য তিনি। দীর্ঘ দুই দশকেও সেই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের বিচার না পাওয়ার আক্ষেপ আজও বয়ে বেড়াচ্ছে পরিবারটি। এমন শোক আর বঞ্চনাকে শক্তিতে রূপান্তর করে ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির মাঠে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন জেসমিন আক্তার।

রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি বিভিন্ন চড়াই-উতরাই পাড়ি দিয়ে জেলা মহিলা দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হয়েছেন। তিনি জেলা মহিলা দলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সদর উপজেলা মহিলা দলের সাবেক সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি জেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি হিসেবে দলকে সুসংগঠিত করার কাজে লিপ্ত রয়েছেন। রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে তার সক্রিয় উপস্থিতি সবসময়ই কর্মীদের প্রেরণা জুগিয়েছে।

কেবল দলীয় কর্মকাণ্ডই নয়, একজন সফল আইনজীবী হিসেবেও অ্যাডভোকেট জেসমিন আক্তারের রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। বিশেষ করে অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত এবং বিচারপ্রার্থী নারীদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিয়ে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। তৃণমূল কর্মীদের মতে, সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমন নেতৃত্ব আসা প্রয়োজন যাদের সাথে রাজপথের সম্পর্ক গভীর। ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেত্রী হিসেবে তাকে মূল্যায়ন করা হলে তা নারী নেতৃত্বের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হবে।

অ্যাডভোকেট জেসমিন আক্তার নিজের আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, "আমি দলের আদর্শে অবিচল থেকে আজীবন কাজ করে যাচ্ছি। দল যদি আমার রাজনৈতিক ত্যাগ ও পরিবারের আত্মত্যাগের কথা বিবেচনা করে সুযোগ দেয়, তবে আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করব।"

এ.আই.এল/সকালবেলা

মন্তব্য করুন