ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: সারা দেশ থেকেই খবর আসছে জ্বালানি তেল সংকটে বন্ধ হয়ে গেছে অনেক পাম্প। অথচ জ্বালানি মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন ভিন্ন কথা। তিনি জানান, দেশে জ্বালানি তেলের ১ মাসের মজুত আছে। বুধবার (২৫ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মজুত ও সরবরাহ আছে উল্লেখ করে গতকাল মঙ্গলবার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ চৌধুরী টুকু বলেছেন, তেলের পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহ ছিল। কিন্তু তেল কেনার পরিমাণ ও সঞ্চয় প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় পাম্পগুলোতে সময়ের আগেই তেল শেষ হয়ে গেছে। ক্রেতাদের এমন প্রবণতায় আমাদের কী করার আছে? আমরা বারবার বলছি তেল আছে, সবাই তেল পাবেন।
জ্বালানিমন্ত্রী আরও বলেন, ঈদের মধ্যে যে সবাই বাড়িতে গেল, কোনো বাস কি তেলের অভাবে বন্ধ হয়েছে? ঈদটা গেল, কোনো তো অসুবিধা হয় নাই। তাহলে আমার মনে হয় যে এখন কোনো অসুবিধা নাই। কিন্তু মানুষকে বোঝাতে হবে। অকারণে মজুত করার কোনো দরকার নাই। সংকট তো আমরা তৈরি করি নাই। আমরা আমদানি করি। পৃথিবীতে একটা গোলমাল লেগেছে, সে জন্য সবাইকে তো সাশ্রয়ী হতে হবে। জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে ইকবাল হাসান মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়টি মন্ত্রণালয় দেখে না। সেটি এনার্জি কমিশন দেখে। আমরা এখনো দাম বাড়াইনি।
মানুষ লাইনে দাঁড়িয়েও তেল পাচ্ছে না কেন—এ বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সমস্যাটা হচ্ছিল যে আগে যেমন ট্যাংক-লরিগুলো তেল ভরতো, সারাদিন বিক্রি করেও তেল উদ্বৃত্ত থাকতো। কিন্তু এখন এ রকম লাইন দিয়ে বিক্রি করার পরে উদ্বৃত্ত থাকে না। আর আমাদের ডিপোগুলো থেকে তেল ট্রাক দিয়ে ভরতে সময় লাগে, এজন্য সকালবেলা আর্লি মর্নিংয়ে তেল থাকে না, পরে তো থাকে। তেলের অভাবে কারও গাড়ি বন্ধ হয়নি বলেও তিনি মন্তব্য করেন। ক্রেতাদের অহেতুক আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ