ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
আবু নাইম হোসাইন, গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার বিচ্ছিন্ন ও প্রত্যন্ত চরাঞ্চল চরবাংলায় ভূমিদস্যুতা, তরমুজ চাষে চাঁদাবাজি এবং ঘাটে কৃষকদের হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুব অধিকার পরিষদের পটুয়াখালী জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিবুল্লাহ এনিম।
৫ মার্চ (বুধবার) রাত ৮টার দিকে চরবাংলা বাজারে গণঅধিকার পরিষদের ইউনিয়ন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সমঝোতামূলক আলোচনা সভায় তিনি এই বার্তা দেন।
মহিবুল্লাহ এনিম বলেন, “মাননীয় প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূরের স্পষ্ট ঘোষণা—তরমুজ চাষ বা বিপণনকে কেন্দ্র করে কোনো চাঁদাবাজি, ঘাটে বাধা দেওয়া বা ফসল আটক করা যাবে না। কৃষক তার ফলানো ফসল নিজেই তুলবে এবং বিক্রি করবে। আগামীতে এই চরে চাষাবাদের জন্য কৃষকদের এক টাকাও দিতে হবে না। প্রয়োজনে আমরা পকেট থেকে সরকারের রাজস্ব পরিশোধ করবো, তবুও ভূমিহীন কৃষকদের পাশে থাকবো।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা শুনতে পেয়েছি পূর্বের কলহের জের ধরে প্রকৃত চাষিরা ফসল বিক্রির সময় আবারও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে চরবাংলা, চর পোটকা, পাঙ্গাশিয়ার চর, দশমিনার লালচর ও চর ফাতেমাসহ একাধিক চরে ঝামেলা চলছে। আমরা জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি যাতে সরকারি প্রক্রিয়ায় এই চরগুলো প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে বণ্টন করা হয়।”
দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় কঠোর অবস্থান জানিয়ে তিনি বলেন, “প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূরের পরিবারের কোনো সদস্য বা আত্মীয়স্বজন যদি আপনাদের হয়রানি করতে আসে, তবে সরাসরি জানাবেন। হরিদাবপুর থেকে আমখোলা পর্যন্ত কোথাও কোনো চাঁদাবাজি চলবে না। জেলে ভাইদের মাছ ধরতে বা খামারিদের গরু-মহিষ চরাতে কোনো চাঁদা দিতে হবে না।”
মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করে তিনি বলেন, “মাদক বিক্রেতা বা সেবনকারী যেই হোক, কোনো সুপারিশ চলবে না। আমরা মাদকহীন একটি কল্যাণমুখী সমাজ গড়তে চাই। রাস্তাঘাট উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপাসনালয়ের উন্নয়নে আমরা পর্যায়ক্রমে কাজ করে যাচ্ছি।”
সভায় চরবাংলা ও পার্শ্ববর্তী চরের শত শত অবহেলিত কৃষক ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত হয়ে তাদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও সংবাদ সংগ্রহে আসায় মহিবুল্লাহ এনিম সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ