যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের

দক্ষিণ কোরিয়ার একটি আদালত রাষ্ট্রদ্রোহে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। তার প্রতিরক্ষামন্ত্রী কিম ইয়ং-হিউনকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সামরিক শাসন চাপিয়ে দেওয়ার ব্যর্থ প্রচেষ্টার ঘটনায় তাদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়। ওই সময় বিরোধীদলীয় নেতা এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ংকে আটক করার জন্য সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগেও ইউনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া সাবেক গোয়েন্দা প্রধান রোহ সাং-উনকে ১৮ বছরের কারাদণ্ড, সাবেক পুলিশ প্রধান চো জি-হোকে ১২ বছরের কারাদণ্ড, সিউল মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক প্রধান কিম বং-সিককে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি পুলিশ গার্ডের সাবেক প্রধান মোক হিউন-তায়েকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আদালত জানিয়েছে, আসামিরা এক সপ্তাহের মধ্যে আপিল করতে পারবেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকার পক্ষের আইনজীবীরা ইউনের মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছিলেন। তবে সিউলের জেলা আদালত তার বয়স ও পূর্বে অপরাধের রেকর্ড না থাকার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেননি।

দক্ষিণ কোরিয়ার আইনে বিদ্রোহের পরিকল্পনার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে বিচারে এটিই ইউনের পাওয়া সর্বোচ্চ সাজা। আটটি বিচার প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হওয়া ইউন এর আগে গ্রেপ্তারে বাধা দেওয়া ও জালিয়াতির অভিযোগে পৃথক মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছিলেন।

সরকার পক্ষের আইনজীবীরা আদালতে বলেন, ইউনের অসাংবিধানিক ও অবৈধ জরুরি সামরিক আইন ঘোষণা জাতীয় পরিষদ ও নির্বাচন কমিশনের কার্যকারিতা ক্ষুণ্ণ করেছিল এবং উদার গণতান্ত্রিক সাংবিধানিক ধারাকে বিপন্ন করেছিল।

আই.এ/সকালবেলা

মন্তব্য করুন