নোবিপ্রবিতে পিএইচডি ফেলোশিপে আর্থিক জটিলতা

প্রকাশ: রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ণ
নোবিপ্রবিতে পিএইচডি ফেলোশিপে আর্থিক জটিলতা

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি: নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) পিএইচডি ফেলোশিপের মাসিক ভাতার পরিমাণ কমানো এবং প্রশাসনিক অস্পষ্টতার কারণে গবেষকদের মধ্যে চরম হতাশা ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ভর্তি বিজ্ঞপ্তির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ভাতা না পাওয়ায় এবং গবেষণা কার্যক্রম শুরুতে দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

গবেষকদের অভিযোগ, ২০২৫-২৬ (জুলাই-ডিসেম্বর) শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে যোগ্য গবেষকদের জন্য মাসিক ৪০ হাজার টাকা বৃত্তির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি এক অফিস আদেশে সেই ভাতা কমিয়ে ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া গবেষকদের দেওয়া 'ফেলোশিপ একসেপ্টেন্স লেটারে' ভাতার পরিমাণ উল্লেখ না থাকায় বিভ্রান্তি আরও বেড়েছে। দীর্ঘ ৯ মাস অতিবাহিত হলেও চূড়ান্ত কোনো সুরাহা না হওয়ায় অনেক গবেষক তাঁদের কর্মস্থল থেকে ছুটি নেওয়া বা গবেষণায় মনোনিবেশ করা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন।

রিসার্চ সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, ইউজিসির বাজেট অনুযায়ী প্রশাসন ২৫ হাজার টাকার সিদ্ধান্ত নিলেও শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে রিসার্চ সেল ৪০ হাজার টাকা বহাল রাখার সুপারিশ করেছে। বিষয়টি এখন উপাচার্যের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। অন্যদিকে, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল জানান, ইউজিসির বরাদ্দের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে নীতিমালাগত কিছু 'ট্রানজিশন পিরিয়ড' চলায় এই জটিলতা তৈরি হয়েছে এবং বাজেট প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত ২০ এপ্রিল গবেষকেরা উপাচার্য বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। তাঁদের দাবি, বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত ৪০ হাজার টাকা ফেলোশিপ বহাল রেখে দ্রুত নতুন করে 'একসেপ্টেন্স লেটার' ইস্যু করতে হবে। অন্যথায় এই উচ্চতর শিক্ষা কার্যক্রমে মেধাবী শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ.আই.এল/সকালবেলা

মন্তব্য করুন