ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
মোস্তাফিজুর রহমান, কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আমেজ কাটতে না কাটতেই খুলনার উপকূলীয় উপজেলা কয়রায় বইছে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের হাওয়া। নির্বাচনকে সামনে রেখে বেশ আটঘাট বেঁধে মাঠে নেমেছে জামায়াতে ইসলামী। উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের মধ্যে ইতোমধ্যে ছয়টিতে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে প্রচার-প্রণা ও গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন দলটির মনোনীত প্রার্থীরা।
জামায়াত মনোনীত প্রার্থীরা হলেন ১নং আমাদী ইউনিয়নে মাওলানা সাজ্জাদুল ইসলাম, ৩নং মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নে সাংবাদিক এম আইয়ুব আলী, ৪নং মহারাজপুর ইউনিয়নে সাইফুল্লাহ হায়দার, ৫নং কয়রা সদর ইউনিয়নে উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান, ৬নং উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নে মো. নূর কামাল হোসেন এবং ৭নং দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নে মাওলানা মতিউর রহমান। তবে দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের প্রার্থীর পদ সম্প্রতি কিছু বিতর্কিত কারণে স্থগিত রাখা হয়েছে।
কয়রা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান জানান, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়। দীর্ঘদিনের রোকন, ছাত্রশিবির ও সদস্যবৃন্দের গোপন ভোটের মাধ্যমে এই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদনে নাম ঘোষণা হওয়ায় দলের ভেতরে কোনো বিশৃঙ্খলার সুযোগ নেই।
উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি প্রিন্সিপাল সুজাউদ্দিন বলেন, আগেভাগে প্রার্থী ঘোষণা করায় নেতাকর্মীরা উৎসাহ নিয়ে সভা-সমাবেশ ও ইফতার মাহফিলের মাধ্যমে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। এতে মাঠ পর্যায়ে সংগঠন আরও শক্তিশালী হচ্ছে।
খুলনা জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা এমরান হোসাইন এ বিষয়ে বলেন, স্থানীয় সরকার পর্যায়ে যোগ্য নেতৃত্ব গড়ার লক্ষ্যেই আমাদের এই আগাম প্রস্তুতি। এতে সংগঠন আরও সুসংহত হবে এবং আমরা আশাবাদী ভোটাররা আমাদের প্রার্থীদের নির্বাচিত করবেন। উপকূলীয় এই জনপদে জামায়াতের এমন আগাম তৎপরতা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এম.এম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ