সংস্কার চাইলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিন

সংস্কার চাইলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিন

Vote ‘Yes’ in Referendum for Reforms

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল করিম খান বলেছেন, আপনারা যদি সংস্কার চান, পরিবর্তন চান এবং বিচার ব্যবস্থা ভালো দেখতে চান, তাহলে গণভোটে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইলের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে গণভোট প্রচারণার ‘ভোটের গাড়ি’র সামনে দাঁড়িয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, রাজপথে সহিংসতা ও মানুষের খুন দেখতে না চান, তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এ কারণেই গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি চালু করা হয়েছে। তিনি বলেন, আবার যেন কোনো হানাহানি বা অতীতের মতো বড় ধরনের সহিংস পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেজন্যই ‘হ্যাঁ’-‘না’ ভোটের আয়োজন। জনগণ যদি এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না চায়, সে কারণেই সংস্কার কমিশন প্রতিবেদন দিয়েছে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য এই গণভোট।

উপদেষ্টা ফাওজুল করিম খান আরও বলেন, আমরা কোনো রাজা-রানী নির্বাচনের জন্য নয়, বরং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের লক্ষ্যে এই ভোটের আয়োজন করেছি। বিশ্বের অন্যান্য দেশে বারবার গণ-অভ্যুত্থানের মতো ঘটনা ঘটে না, কিন্তু আমাদের দেশে কেন ঘটে—এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কার প্রয়োজন।

তিনি বলেন, জাতির জন্য একটি নতুন দিশা সৃষ্টি করতে চাই, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ স্বৈরাচার হয়ে উঠতে না পারে। এ সময় তিনি গণভোটে জনগণের সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং একটি স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক গণভোট আয়োজনের লক্ষ্যে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

এর আগে ‘ভোটের চাবি, আপনার হাতে’ স্লোগানে সারাদেশে ভ্রমণরত ১০টি ভোটের গাড়ির একটি টাঙ্গাইলে পৌঁছালে অনুষ্ঠানের শুরুতে দেশাত্মবোধক গানের ফাঁকে ফাঁকে গণভোটের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে অডিওবার্তা প্রচার করা হয় এবং গণভোট বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণ প্রদর্শন করা হয়।

এ সময় টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম, জেলা সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা তাহলিমা জান্নাতসহ জেলার বিভিন্ন দপ্তর ও বিভাগের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আই.এ/সকালবেলা

মন্তব্য করুন