ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
মো: ইয়াছিন রুবেল, নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় গণপিটুনিতে এক যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। একই সঙ্গে এই ঘটনার সঙ্গে বিএনপি বা এর কোনো অঙ্গ সংগঠনের সম্পৃক্ততার অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে দলটি।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) কবিরহাট উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই অবস্থান পরিষ্কার করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে পরিকল্পিতভাবে বিএনপিকে এই ঘটনার সঙ্গে জড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নে মিজানুর রহমান ওরফে কানা মিজান (৩৬) নামে এক যুবক গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন। দলটির দাবি অনুযায়ী, নিহত মিজানুর রহমান আওয়ামী লীগের একটি সহযোগী সংগঠনের সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, ডাকাতি ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় যে, নিহত মিজানের সাথে বিএনপির আদর্শিক বা সাংগঠনিক কোনো সম্পর্ক নেই। কিছু অসাধু ব্যক্তি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বিএনপিকে দোষারোপ করে যে তথ্য প্রচার করছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর একটি অপকৌশল মাত্র।
এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে কবিরহাট উপজেলা বিএনপি প্রকৃত দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য ও কবিরহাট উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কামরুল হুদা চৌধুরী লিটন এবং কবিরহাট উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. কামাল হোসেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কামরুল হুদা চৌধুরী লিটন সকালবেলা-কে জানান, নিহত মিজানুর রহমান একজন চিহ্নিত অপরাধী ছিলেন এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা জনরোষের ফল হিসেবে ঘটা এই ঘটনায় বিএনপিকে জড়িয়ে বক্তব্য দেওয়া রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কিছু নয়।
এম.এম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ