জামায়াত নেতারা অপপ্রচার ও মিথ্যাচার করে: রিজভী
আজ রবিবার (৩১ মে) বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত ‘রাজনীতি’ বিভাগের এক বিশেষ প্রতিবেদনে বিএনপির এই শীর্ষ নেতার জামায়াত বিরোধী অবস্থান ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
জানা গেছে, মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবের অডিটোরিয়ামে এক বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)। উক্ত সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত হয়ে রুহুল কবির রিজভী জামায়াত ইসলামীর অতীত ও বর্তমান রাজনৈতিক ভূমিকার চুলচেরা বিশ্লেষণ করেন।
আলোচনা সভায় রুহুল কবির রিজভী বলেন, “১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় জামায়াত ইসলামী পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি আঁতাত ও আপস করেছিল। হানাদারদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করে তারা এদেশের স্বাধীনতাকামী নিরীহ মানুষের ওপর যখন নির্মম জুলুম, নির্যাতন ও নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছিল, তখন দলগতভাবে তারা সেটাকে অন্ধের মতো সমর্থন করেছে। আর এখনকার জামায়াত আধুনিক রূপ ধারণ করে রাজনৈতিকভাবে কেবলই অপপ্রচার আর মিথ্যাচারের নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে।”
দেশের চলমান আইন-শৃঙ্খলা ও সমসাময়িক পরিস্থিতি টেনে বিএনপির এই প্রভাবশালী নেতা আরও অভিযোগ করেন, “বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে নানাবিধ চাঁদাবাজি ও আর্থিক অনিয়মের কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছেন জামায়াত নেতারা। তবে তারা খুব চতুরতার সঙ্গে ভিন্ন আঙ্গিকে এবং ভিন্ন উপায়ে এই চাঁদা আদায় করেন। তারা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নেওয়া এই জোরপূর্বক চাঁদা বা লেভি আদায়কে ধর্মীয় আবরণে ‘হাদিয়া’ এবং ‘এয়ানত’ (দলীয় তহবিল সংগ্রহ) নাম দিয়ে বৈধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।”
বক্তব্যের শেষাংশে রিজভী দাবি করেন, মাঠপর্যায়ে নিজেদের যাবতীয় অনৈতিক রাজনৈতিক এজেন্ডা ও সাংগঠনিক অপকর্ম ঢাকতেই জামায়াত নামের এই দলটি সুকৌশলে পবিত্র ধর্মের অপব্যবহার করছে। জাসাসের উক্ত আলোচনা সভায় বিএনপির অঙ্গসংগঠনের কেন্দ্রীয় ও মহানগরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
জান্নাত সকালবেলা