ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
শাহরিয়ার হাসান: এক সময় যে দাবিগুলো ছিল রাজপথ আর মঞ্চের জোরালো আওয়াজ, আজ রাষ্ট্রক্ষমতায় পরিবর্তনের পর সেই দাবিগুলোই এখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের টেবিলের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দেশের জনপ্রিয় ইসলামি ব্যক্তিত্ব শায়খ আহমাদুল্লাহ দীর্ঘ সময় ধরে আলেম সমাজ ও ইমামদের পক্ষ থেকে যে ইনসাফ কায়েমের দাবি তুলেছিলেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তা নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।
শায়খ আহমাদুল্লাহ বরাবরই আক্ষেপ করে বলে আসছিলেন, স্বাধীনতার পর থেকে কোনো সরকারই দেশের তিন লক্ষাধিক ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে যোগ্য সম্মান দেয়নি। তাঁর সেই ঐতিহাসিক দাবির মূলে ছিল ইমামদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং একটি সম্মানজনক জাতীয় বেতন কাঠামো। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন, যারা প্রতিদিন দেশের কোটি কোটি মানুষের নৈতিক চরিত্র গঠন করেন, রাষ্ট্র তাদের অভুক্ত রেখে উন্নত হতে পারে না।
শুধু বেতন-ভাতা নয়, শায়খ আহমাদুল্লাহর দাবি ছিল আরও গভীর। তিনি চেয়েছিলেন মসজিদগুলোকে কেন্দ্র করে সমাজ সংস্কারের বিপ্লব ঘটাতে। পরিচ্ছন্নতা অভিযান থেকে শুরু করে দারিদ্র্য বিমোচন—প্রতিটি ক্ষেত্রে আলেমদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার যে প্রস্তাব তিনি দিয়েছিলেন, তা আজও বাস্তবায়নের অপেক্ষায়।
এখন যখন তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন, তখন আলেম সমাজ ও সাধারণ মানুষের চোখ সেই দাবিগুলোর দিকে। শায়খ আহমাদুল্লাহর সেই বিখ্যাত উক্তি—‘যে জাতি আলেমদের মূল্য দিতে জানে না, তারা পৃথিবীর সবচেয়ে দুর্ভাগা’—আজও সমাজ সচেতনদের কানে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আলেম সমাজের এই দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করে শায়খ আহমাদুল্লাহর উত্থাপিত সেই ন্যায্য দাবিগুলো পূরণে কতটা আন্তরিক হন।
এম.এম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ