শ্রম, বাণিজ্য ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা
উভয় নেতা একান্ত বৈঠকের পর প্রতিনিধি পর্যায়ের আলোচনায় বসেন। বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়, যার মধ্যে প্রধান ছিল:
বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্তকরণ এবং মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়মিতকরণ ও ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন।
বাংলাদেশের আম, ফলমূল ও শাকসবজির জন্য মালয়েশিয়ার বাজারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি এবং দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগের সুযোগ।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যু, আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার জন্য বাংলাদেশের আবেদন এবং রিজওনাল কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপে (RCEP) বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি।
জাতিসংঘসহ বিভিন্ন বহুপাক্ষিক ফোরামে পারস্পরিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি।
বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সংস্কৃতি বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এ ছাড়া সন্ত্রাসবাদ দমন বিষয়ে গবেষণা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত দুটি দ্বিপাক্ষিক দলিল বিনিময় করেন দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।
বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রী একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। এই সফর ও বৈঠক দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও গভীর ও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জান্নাত সকালবেলা
|