চাইনিজ ল্যাংগুয়েজ নিয়ে কারিকুলাম তৈরি করছে এনএসডিএ
অনলাইন ডেস্ক: প্রচুর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক সম্ভাবনা ও বৈদেশিক শ্রমবাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ‘চাইনিজ ল্যাংগুয়েজ’ বা চীনা ভাষা শিক্ষাকে একটি স্বতন্ত্র কারিকুলাম ও পেশাগত যোগ্যতার আওতায় আনছে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ)।
এরই অংশ হিসেবে সম্প্রতি রাজধানীর এনএসডিএ মিলনায়তনে ‘চাইনিজ ল্যাংগুয়েজ’ অকুপেশনের ওপর টাস্ক অ্যানালাইসিস এবং অকুপেশনাল ম্যাপিং বিষয়ক বিশেষ কারিগরি কর্মশালা আয়োজন করা হয়। রবিবার (৯ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্যে এনএসডিএর নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী জানান, "চীনের সাথে বৈদেশিক বাণিজ্য ও অভ্যন্তরীণ নানা মেগা প্রকল্পের কারণে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে চীনা ভাষা জানা দক্ষ পেশাজীবীদের অভাব রয়েছে। সাধারণ ভাষা শিক্ষার বাইরে একে সুনির্দিষ্ট একটি কর্মসংস্থানমুখী ‘অকুপেশন’ হিসেবে স্বীকৃতি দিতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, সুনির্দিষ্ট টাস্ক অ্যানালাইসিস এবং ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের মান ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা বিশ্বমানের করা হবে, যা শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানে সহায়তা করবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘চাইনিজ ল্যাংগুয়েজ’ অকুপেশনের পূর্ণাঙ্গ কারিকুলাম বা কম্পিটেন্সি স্ট্যান্ডার্ড তৈরির লক্ষ্যে আগামী ১৬ থেকে ১৯ আগস্ট চার দিনব্যাপী ডেভেলপমেন্ট কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২৫ আগস্ট চূড়ান্ত ভ্যালিডেশন কর্মশালার পর অনুমোদিত প্রশিক্ষণকেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে চীনা ভাষার স্ট্যান্ডার্ড কোর্সটি চালু হবে।
এ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশনস ফ্রেমওয়ার্ক (BNQF)-এর লেভেল ২ ও ৩-এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে যোগ্যতা রূপরেখা সাজানো হবে, যা আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড চাইনিজ ল্যাংগুয়েজ টেস্ট (HSK)-এর লেভেল ১ ও ২-এর সমমান পাবে। এছাড়া চীনা বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে শিক্ষার্থীদের ‘জয়েন্ট সার্টিফিকেট’ বা যৌথ সনদ প্রদানের চিন্তাভাবনাও করছে এনএসডিএ।
|