আরও ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল কিনছে সরকার

প্রকাশ: শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:২২ অপরাহ্ণ
আরও ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল কিনছে সরকার

অনলাইন ডেস্ক : দেশের জ্বালানি মজুত সক্ষমতা বাড়াতে এবং অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড সচল রাখতে আরও পাঁচ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। খাতের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে সিঙ্গাপুরের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান ‘ইউনিপেক সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড’ থেকে এই জ্বালানি সরবরাহ নেওয়া হবে। এতে সরকারের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৬৭২ কোটি ৬৬ লাখ টাকা।

নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশে ৯০ দিনের জরুরি মজুত সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে মূলত ৪ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হচ্ছে (যা প্রায় ৫ লাখ টন)। এর মধ্যে ৩ লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল (গ্যাস অয়েল) এবং ৯০ হাজার মেট্রিক টন জেট ফুয়েল (উড়োজাহাজের জ্বালানি) রয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়ার সব নিয়ম মেনে এই জ্বালানি তেল ক্রয় করছে। সম্প্রতি বিপিসির এই সংক্রান্ত এক প্রস্তাবে নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সরকার সাধারণত প্রতি ছয় মাস পর পর দেশের সামগ্রিক চাহিদার ওপর ভিত্তি করে জ্বালানি তেল, বিশেষ করে ডিজেল এবং জেট ফুয়েল আমদানি করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় জুন, জুলাই ও আগস্ট—এই তিন মাসের চাহিদার বিপরীতে বিপিসি একটি প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। পরবর্তীতে সেটি সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হলে কমিটি তা ইতোমধ্যেই অনুমোদন করেছে।’

তিনি আরও বলেন, "আমরা সরকারের পক্ষ থেকে প্রশাসনিক ছাড়পত্র দিয়ে সেটি বিপিসির কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি। এখন পরবর্তী প্রক্রিয়া হিসেবে বিপিসি সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে নোয়া (নোটিফিকেশন অব এওয়ার্ড) দেবে। এই আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে জ্বালানি তেল সরবরাহ শুরু করবে।"

মন্তব্য করুন