চলতি বছর তুরস্ক ও চীন সফরে যাবেন ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চলতি বছরের মধ্যেই তুরস্ক ও চীন সফরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও আগামী সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র সফর করবেন।
মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে কাতারের উপহার দেওয়া একটি বিমান উন্মোচন অনুষ্ঠানে ট্রাম্প এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক সফর করছি। আমরা তুরস্কে যাব। বছরের কোনো এক সময়ে আবার চীনেও যাব।’
ট্রাম্প জানান, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র সফরে আসবেন। এরপর একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিতে তিনি চীন সফর করবেন।
তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট শি সেপ্টেম্বরে এখানে আসছেন। পরে আমরা চীনে একটি বড় সম্মেলনে অংশ নিতে সেখানে যাব।’
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও তুরস্কের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই এসব সফর হতে পারে।
অনুষ্ঠানে ইরান প্রসঙ্গেও কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরান ইস্যুতে সরাসরি পক্ষ না হওয়ায় চীনকে তিনি ধন্যবাদ জানাচ্ছেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘চীনের ইরান ইস্যুর পক্ষ হওয়া উচিত নয়। তারা তা হয়নি বলেই আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই।’
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও বিস্তৃত না করতে যখন আন্তর্জাতিক মহল কূটনৈতিক উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছে, তখনই ট্রাম্পের এ মন্তব্য এসেছে।
একই অনুষ্ঠানে তিনি ইরানকে আবারও ৬০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়ে বলেন, এ সময়ের মধ্যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি না হলে যুক্তরাষ্ট্র এমন পদক্ষেপ নেবে, যা তেহরানের পছন্দ হবে না।
তবে তিনি বলেন, কূটনৈতিক সমাধানেই তার আস্থা রয়েছে। আলোচনা ব্যর্থ হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত।
ট্রাম্পের ভাষ্য, ‘৬০ দিনের মধ্যে আমাদের একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে। অন্যথায় আমরা এমন কিছু করব, যা তাদের ভালো লাগবে না।’ তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত সে পর্যায়ে যাবে না।
এদিকে ওয়াশিংটন ও তেহরান সম্প্রতি স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারককে স্থায়ী চুক্তিতে রূপ দিতে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মধ্যেই ট্রাম্পের এ সতর্কবার্তা সামনে এলো।
সূত্র: সামা টিভি
|