ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর খবরে বিশ্বজুড়ে সৃষ্টি হওয়া ধোঁয়াশা ও বিতর্কের অবসান ঘটিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রোববার (১ মার্চ) উভয় নেতার পক্ষ থেকে আলাদা বিবৃতিতে খামেনির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে খামেনিকে ‘ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তি’ হিসেবে অভিহিত করে তার চিরবিদায়ের খবর জানান। এর আগে নেতানিয়াহু এক টেলিভিশন ভাষণে দাবি করেন, তেহরানে খামেনির কার্যালয় লক্ষ্য করে চালানো বিমান হামলায় এই ‘স্বৈরশাসকের’ অবসান ঘটেছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, এটি ইরানের সাধারণ মানুষের জন্য তাদের দেশ পুনরুদ্ধারের এক অনন্য সুযোগ। তিনি দাবি করেন, ইরানের শাসনব্যবস্থার ভেতরে থাকা কিছু ব্যক্তি বর্তমানে দায়মুক্তি বা ‘ইমিউনিটি’ পাওয়ার চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, তেহরানের প্রাণকেন্দ্রে খামেনির সুসংরক্ষিত কম্পাউন্ডটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে এবং সেখানে ওই নেতার আর বেঁচে থাকার কোনো চিহ্ন নেই। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান সরকারের পক্ষ থেকেও খামেনির নিহতের খবরটি স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে এবং আজ রোববার থেকে দেশটিতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার সকালে তেহরানে চালানো এই সুনির্দিষ্ট ও শক্তিশালী হামলায় খামেনির পাশাপাশি তার পরিবারের চার সদস্য এবং অন্তত ৪০ জন উচ্চপদস্থ ইরানি কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পশ্চিমা গোয়েন্দা সূত্রগুলো। খামেনির দীর্ঘ ৩৬ বছরের শাসনের অবসান ইরানের রাজনীতিতে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিতে পারে। বিশেষ করে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) পরবর্তী পদক্ষেপ এবং দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বর্তমানে তেহরানজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
এম.এম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ