ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার জন্য দেশটি যখন তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহারের ঘোষণা দিল, ঠিক তখনই এই বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেল। খবর আল-জাজিরার
এর আগে ইসরায়েলকে লক্ষ্যবস্তু করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার দাবি করেছিল ইসরায়েলের সেনাবাহিনী (আইডিএফ)। তারা জানিয়েছে, ইরান থেকে ইসরায়েলের উদ্দেশ্যে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। যার কারণে দেশটির উত্তর ও মধ্যাঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানে নাগরিকদের সতর্ক করতে সাইরেন বাজানো হয়েছে।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, “নাগরিকদের জরুরি নির্দেশনা অনুসরণের অনুরোধ করা হচ্ছে। এই মুহূর্তে আমাদের বিমানবাহিনী যেকোনো হুমকি চিহ্নিত করে সেগুলো প্রতিহতের অভিযান পরিচালনা করছে।”
এর আগে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইরানে যৌথভাবে ‘রোরিং লায়ন’ বা ‘শিল্ড অফ জুডাহ’ নামক অপারেশন পরিচালনা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। যা ঘিরে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানকে ‘মেজর কমব্যাট অপারেশন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ফারস নিউজ বলছে, হামলা কেবল তেহরানেই সীমাবদ্ধ নয়, দেশটির অন্তত পাঁচটি শহরে আঘাত হানা হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীর নিকটবর্তী কোম শহর এবং দেশের কেন্দ্রস্থল ইস্পাহান শহর উল্লেখযোগ্য।
ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর এবং প্রেসিডেন্টের প্রাসাদের আশপাশের ‘পাস্তার’ এলাকা লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি যে, হামলায় কোনো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন কি না।
পাস্তার এলাকার বেশ কিছু মানুষ আহত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে এবং তাদের দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হচ্ছে। তবে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি অক্ষত রয়েছেন বলে জানিয়েছে ফারস।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ