ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
সাহারুল ইসলাম, ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুর জেলার প্রাচীন ও ঐতিহাসিক জনপদ ঘোড়াঘাটকে আধুনিক ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার আওতায় আনতে চতুর্থ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়েছে। এই প্রস্তাবনায় আঞ্চলিক মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ এবং করতোয়া নদীর ওপর গুরুত্বপূর্ণ দুটি সেতু নির্মাণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
জয়পুরহাট-ঘোড়াঘাট-পলাশবাড়ী চার লেন মহাসড়ক: দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া ও গাইবান্ধার সাথে যোগাযোগের কেন্দ্রবিন্দু ঘোড়াঘাট। বর্তমানে জয়পুরহাট থেকে ঘোড়াঘাট হয়ে পলাশবাড়ী পর্যন্ত একটি চার লেন বিশিষ্ট আঞ্চলিক হাইওয়ে নির্মাণ করে জাতীয় হাইওয়ের সাথে সংযুক্ত করা সময়ের দাবি। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ৫ জেলার কোটি কোটি মানুষের আন্তঃজেলা যোগাযোগে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে, যা ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
গোবিন্দগঞ্জ-দিনাজপুর আঞ্চলিক সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ: গোবিন্দগঞ্জ-ঘোড়াঘাট-দিনাজপুর সড়কটি বর্তমানে দুই লেনের হওয়ায় ছোট-বড় সব যানবাহন একই সাথে চলে। এতে দূরপাল্লার বাস-ট্রাকের গতি কমে যায় এবং প্রায়ই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। যাতায়াতের সময় বাঁচাতে এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই সড়কটি দ্রুত চার লেনে উন্নীত করা জরুরি।
হাজীরঘাটে করতোয়া নদীর ওপর পূর্ণাঙ্গ ব্রিজ: করতোয়া নদীর হাজীরঘাটে পলাশবাড়ীর হোসেনপুর ইউনিয়নের সাথে ঘোড়াঘাটকে সংযুক্ত করতে একটি পূর্ণাঙ্গ ব্রিজ নির্মাণ এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। অতীতে অনেক জনপ্রতিনিধি প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। এই অঞ্চলের কৃষি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে এই ব্রিজের গুরুত্ব অপরিসীম।
মংলিশপুর ঘাটে সিঙ্গেল ব্রিজ নির্মাণ: পলাশবাড়ী উপজেলার মংলিশপুর, জাফর, নয়নপুর, কিশোরগাড়ি ও হোসেনপুর ইউনিয়নের মানুষ দৈনন্দিন বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং কৃষিপণ্য বিক্রির জন্য ঘোড়াঘাটের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে তারা নৌকায় করে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করে। জনদুর্ভোগ লাঘব এবং পণ্য পারাপার সহজ করতে মংলিশপুর ঘাটে একটি সিঙ্গেল ব্রিজ নির্মাণ করা অত্যন্ত জরুরি।
ঐতিহাসিক এই জনপদের হারানো জৌলুস ফিরিয়ে আনতে এবং উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক চাকা সচল করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ