ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
মো. হাসান ইসলাম, ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি: পাবনার ঈশ্বরদীতে উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব ও জিয়া সাইবার ফোর্সের নেতা ইমরান হোসেন সোহাগ (২৮)-কে গুলি ও কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে এলাকা।
খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার এবং আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বাড়ি থেকে পুলিশি পাহারা প্রত্যাহারের দাবিতে শনিবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) ঈশ্বরদী থানা ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে উপজেলা ছাত্রদল।
শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঈশ্বরদী থানা ফটকের সামনে জড়ো হন ছাত্রদলের কয়েকশ নেতাকর্মী। এসময় তারা ফটক অবরোধ করে সোহাগের হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দিতে থাকেন। নেতাকর্মীদের অবস্থানের কারণে থানার স্বাভাবিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাসের প্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি স্থগিত করেন।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরদী পৌর ছাত্রদল নেতা মুস্তাফিজুর রহমান বিটু, ঈশ্বরদী কলেজ শাখা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সভাপতি মাহমুদুল ইসলাম শাওন, ছাত্রদল নেতা রিশাদসহ উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, গত ২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঈশ্বরদীর স্কুলপাড়া এলাকায় দুষ্কৃতকারীদের হাতে নির্মমভাবে খুন হন সোহাগ। তিনি উপজেলার সাঁড়া গোপালপুর মহান্নবী পাড়া এলাকার ঈমান কসাইয়ের ছেলে। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সাথে বৈঠক শেষে বাড়ি ফেরার পথে ৮-১০ জন মুখোশধারী তাকে ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে ধানক্ষেতে পড়ে গেলে তাকে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি ও পরে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায় খুনিরা।
আন্দোলনরত ছাত্রদল নেতারা অভিযোগ করেন, সোহাগের খুনিরা প্রকাশ্য দিবালোকে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদের ধরছে না, বরং আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িতে নিরাপত্তা দিচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুনিরা গ্রেফতার না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
ঈশ্বরদী থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।
এ.আই.এল/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ