কটিয়াদীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

কটিয়াদীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

মিজানুর রহমান, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহিদদের স্মরণে কটিয়াদী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। শনিবার রাত ১২টা ১ মিনিটে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা ভূমি অফিস সংলগ্ন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কটিয়াদী উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. ইসরাঈল মিয়া এবং কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শফিকুল ইসলামসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।

উপজেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নেতৃবৃন্দও পৃথকভাবে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ, সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন, সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান সজল সরকার ও সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান স্বপনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এ সময় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠন যুবদল, ছাত্রদল, কৃষকদল ও শ্রমিকদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ফুল দিয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এছাড়া কটিয়াদী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুল্লাহ খান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ ইসা খান, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের প্রতিনিধি ও দলিল লেখক সমিতির নেতৃবৃন্দ শহিদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানান। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলিও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেছে। কটিয়াদী সরকারি কলেজ, কটিয়াদী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতিসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ভাষা শহিদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা এবং দেশপ্রেমে ঐক্যবদ্ধ থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উপস্থিত সকলে। সকাল থেকেই সাধারণ মানুষের পদচারণায় শহীদ মিনার এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে এবং বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রভাতফেরি বের করা হয়।

এম.এম/সকালবেলা

মন্তব্য করুন