ইসমাঈল আযহার
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

পল্টনে জামায়াতসহ ৮ দলের সমাবেশ দুপুরে

পল্টনে জামায়াতসহ ৮ দলের সমাবেশ দুপুরে

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি হিসেবে আজ দুপুরে রাজধানীর পল্টনে গণসমাবেশ করবে যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া আট দল। এই কর্মসূচিতে হাজার হাজার নয়, বরং লাখ লাখ মানুষের জমায়েত হবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। 

সোমবার রাজধানীর পল্টনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কার্যালয়ে বৈঠক করেন আট দলের নেতারা। বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন ঘোষণা দেন জামায়াতের এই নেতা।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘আগামীকাল হাজার হাজার নয়, লাখ লাখ মানুষের জমায়েত হবে। লোকে লোকারণ্য হবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। রাজধানী এবং আশপাশের মানুষই এতে যুক্ত হবে।’ 

তিনি যোগ করেন, ‘আমরা দেশব্যাপী সমাবেশের ডাক দিতে পারতাম। তবে আগামীকাল শুধু রাজধানী ও আশপাশের জনবল নিয়েই সমাবেশ হবে। এতে যদি সরকার বুঝতে পারে, তাহলে আশা করি এই সমাবেশেই একটা বড় ধরনের মতামত উঠে আসবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের আন্দোলনের চতুর্থ পর্ব শেষ হয়ে পঞ্চম পর্ব চলমান। গত ৬ তারিখ আমরা স্মারকলিপি দিয়েছি। একই সঙ্গে ১১ নভেম্বর আমরা গণসমাবেশ ঘোষণা করেছিলাম। আমরা জনগণের কিছু মৌলিক দাবি নিয়ে আন্দোলন করছি। এটা কোনো জোট নয়, এটা আন্দোলনের একটা প্ল্যাটফর্ম।’

বিএনপির সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তারা বলেছে, তারা জামায়াতের ডাকে সাড়া দেবে না। উনারা এটা প্রকাশ্যে বলে দিয়েছেন। আমরাও প্রকাশ্যে বলে দিলাম, উনারা আমাদের ডাকুক, আমরা অবশ্যই সাড়া দেব। আমরা আলোচনা এবং আন্দোলন উভয় চেষ্টা অব্যহত রাখব।’

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘আমরা জনদুর্ভোগ সব সময় এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছি। এটা আন্দোলনের একটা চলমান কর্মসূচি। দুর্ভোগের কথা আমরা বিবেচনা করেছি। আমাদের কর্মসূচির সময় ২ থেকে ৪টা।’

ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা বিফলে গেছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আলোচনা ভেস্তে যায়নি। আলোচনার মাধ্যে একটি চার্টার তৈরি হয়েছে এবং স্বাক্ষরিত হয়েছে। মূলত সনদ নিয়ে নয়, সনদ বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘গণভোট সংবিধানে ছিল, ফ্যাসিস্টরা বাদ দিয়েছে। যারা সংবিধানে গণভোট নেই বলে বলছেন, তারা ফ্যাসিস্টের কাজকে সমর্থন করছে। সংবিধানে ৫ বছর পর নির্বাচনের কথা আছে। তাহলে কি সংবিধান অনুযায়ী ২০২৬ সালে নির্বাচন হওয়ার কথা? বর্তমান সরকারও তো সংবিধান অনুযায়ী ক্ষমতা পায়নি।’

দলগুলো হলো— বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বেগম জিয়া-তারেক রহমানের নিরাপত্তা প্রধান শামছুল ইসলাম

1

নরিগা, সাদ্দাম নাকি হার্নান্দেজ: মার্কিন জিম্মায় মাদুরোর পরি

2

মিরপুর চিড়িয়াখানা থেকে পালাল সিংহ

3

বিপিএল শুরুর আগেই চট্টগ্রামের দায়িত্ব ছাড়লেন বাশার

4

দেশে খাদ্য নিরাপত্তার সংকট, করণীয় কী?

5

নোয়াখালীতে ৫টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, বিএনপি নেতার ভাইসহ

6

শ্রদ্ধা নিবেদনে জাতীয় স্মৃতিসৌধে আসছেন তারেক রহমান

7

যে কারণে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না মান্না

8

সড়ক দুর্ঘটনায় ঝড়ে গেলো ক্রীড়া সাংবাদিক জহির ভূইয়ার প্রা

9

শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের সততার ওপর

10

মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় শেষ হচ্ছে আজ

11

৫০ প্লাটুন আনসার ও টিডিপি মোতায়েন, জানাজা ঘিরে নিরাপত্তা জোর

12

ভোট চাইলেন 'মিস ইন্টারন্যাশনাল' প্রতিযোগি জেসিয়া

13

লন্ডন, দিল্লি বা পিন্ডিতে বসে রাজনীতি করা চলবে না : সাদিক কা

14

মিয়ানমারে ভোট শুরু: সমালোচকরা বলছেন, প্রহসনের নির্বাচন

15

বিটিআরসি কার্যালয়ে ব্যবসায়ীদের হামলা-ভাঙচুর

16

জুলাই সনদ সমঝোতায় ড. ইউনূসকে মধ্যস্তাকারী চায় জামায়াতসহ ৮ দল

17

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত

18

মিজানুর রহমান আজহারীর এ বছরের সকল বিভাগীয় তাফসির মাহফিল স্থ

19

চরমোনাই পীর-মামুনুলের দলে থাকছে না জামায়াত

20
সর্বশেষ সব খবর