সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে জামায়াতের ব্যাপক প্রস্তুতি

সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে জামায়াতের ব্যাপক প্রস্তুতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় জয়ের পর সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সংসদের বর্তমান কাঠামো অনুযায়ী ৫০টি সংরক্ষিত আসনের মধ্যে জামায়াত ১১ থেকে ১২টি আসন পেতে পারে। এই আসনগুলোতে মনোনয়নের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ও সাংগঠনিক নেত্রীদের প্রাধান্য দিচ্ছে দলটি। প্রাথমিক আলোচনায় শীর্ষ অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছেন আমিরের স্ত্রী আমেনা বেগম, যিনি আগেও সংসদে জামায়াতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়া সম্ভাব্য তালিকায় নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরের স্ত্রী হাবিবা রহমান এবং কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দের স্ত্রীর নামও জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে।

শীর্ষ নেতাদের আত্মীয়দের পাশাপাশি দলের মাঠপর্যায়ের দক্ষ নেত্রীদের নামও বিবেচনায় নিয়েছে নীতিনির্ধারণী মহল। সাংগঠনিক নেত্রীদের মধ্যে মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, কেন্দ্রীয় নেত্রী ফাতেমা আক্তার হ্যাপি এবং ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি আয়েশা সিদ্দিকা পারভীনের নাম আলোচনায় রয়েছে। তালিকায় আরও স্থান পেতে পারেন সাবেকুন্নাহার এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রভাষক মারদিয়া মমতাজ। জামায়াত নেতারা জানিয়েছেন যে, যোগ্যতার পাশাপাশি যেসব অঞ্চল থেকে সরাসরি কোনো এমপি নির্বাচিত হননি, সেই এলাকাগুলোর ভৌগোলিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হবে।

মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা জানিয়েছেন যে একটি প্রাথমিক তালিকা ইতিমধ্যে দলের আমিরের কাছে পাঠানো হয়েছে যা কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে চূড়ান্ত করা হবে। এদিকে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন যে সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রক্রিয়া শুরু হবে। ‘জুলাই সনদ’ অনুযায়ী সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ১০০ করা হলে জামায়াতের নারী এমপির সংখ্যা ২৪ পর্যন্ত হতে পারে। তবে বর্তমান কাঠামো বজায় থাকলে প্রাপ্ত ১২টি আসনের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে জামায়াতে ইসলামী।

এম.এম/সকালবেলা

মন্তব্য করুন