নৌবাহিনীর নবনিযুক্ত প্রধানকে র্যাঙ্ক ব্যাজ পরালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নবনিযুক্ত প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভাইস অ্যাডমিরাল পদমর্যাদার র্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং নৌবাহিনীর বিদায়ী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান যৌথভাবে এই ব্যাজ পরিয়ে দেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে ঢাকা সেনানিবাসের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক অসংকোচ ও মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে এই র্যাঙ্ক ব্যাজ পরানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে খবরটি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ব্যাজ পরিধান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবনিযুক্ত নৌপ্রধানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। অন্যদিকে নৌবাহিনীর নবনিযুক্ত প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামসুল ইসলাম, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. শাহীনুর রহমান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল Staff অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সামরিক ও বেসামরিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, নবনিযুক্ত নৌপ্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম ১৯৮৭ সালের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগদান করেন এবং ১৯৮৯ সালে এক্সিকিউটিভ শাখায় স্বনামধন্য কমিশন লাভ করেন। রয়্যাল মালয়েশিয়ান নৌবাহিনী থেকে প্রাথমিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা এই কর্মকর্তা দেশ-বিদেশের উচ্চতর শিক্ষা ও সামরিক দক্ষতার পাশাপাশি মেরিটাইম গভর্ন্যান্স বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
প্রায় চার দশকের সুদীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি নৌবাহিনীর কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল, কমান্ডার ঢাকা নৌ অঞ্চল, কমান্ডার সাবমেরিন, কমান্ড্যান্ট বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি, পরিচালক নৌ অপারেশনস এবং পরিচালক নৌ পরিকল্পনাসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি লেবানন ও কঙ্গোতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং সর্বশেষ ওমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেন। অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি নৌবাহিনী পদক (এনবিপি) ও নৌ-পারদর্শিতা পদকে (এনপিপি) ভূষিত হন।
|