মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশনে ডিএমটিসিএলের মেগা উচ্ছেদ অভিযান

প্রকাশ: শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৮ অপরাহ্ণ
মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশনে ডিএমটিসিএলের মেগা উচ্ছেদ অভিযান
অনলাইন ডেস্ক ঃ ঢাকা মহানগরীর গণপরিবহনের লাইফলাইন এমআরটি লাইন-৬-এর অত্যন্ত ব্যস্ততম মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনের গ্রাউন্ড লেভেলে (নিচের তলায়) অবৈধ দখল উচ্ছেদে এক বিশেষ ও বড় ধরনের যৌথ অভিযান চালিয়েছে মেট্রোরেল পরিচালনাকারী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত টানা চার ঘণ্টা ব্যাপী ডিএমটিসিএলের নিজস্ব নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাজাহান আলী, মো. জাহিদুল ইসলাম এবং নজরুল ইসলামের প্রত্যক্ষ উপস্থিত ও নেতৃত্বে এই উচ্ছেদ অভিযান সফলভাবে পরিচালিত হয়।

মেট্রোরেল স্টেশনের চারপাশের পরিবেশ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার এই বিশেষ অভিযানে ডিএমটিসিএলের ভ্রাম্যমাণ আদালতের পাশাপাশি আইনপ্রয়োগকারী ও সেবামূলক বিভিন্ন সংস্থা একযোগে অংশ নেয়। যার মধ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বাংলাদেশ আনসার, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো), ঢাকা ওয়াসা এবং বিশেষায়িত এমআরটি পুলিশ (MRT Police) অন্যতম। উচ্ছেদ কার্যক্রম চলাকালীন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন এবং ডিএমটিসিএলের উপমহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. আবু হাসান সিদ্দিক। এ সময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিতে ও ময়লা সরাতে প্রয়োজনীয় ভারী ক্রেন ও ট্রাকসহ লজিস্টিক সহায়তা দেওয়া হয়।

ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষ জানায়, মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশনসংলগ্ন ফুটপাত ও গ্রাউন্ড লেভেলের খোলা জায়গায় হকার এবং অবৈধ অস্থায়ী দোকানপাটের কারণে প্রতিদিন যাতায়াতকারী হাজার হাজার সাধারণ যাত্রী চলাচল ও সার্বিক নিরাপত্তায় মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছিল। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই জনদুর্ভোগ ও বিশৃঙ্খলা দূর করতেই আজ একযোগে এই সব অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও অপসারণ করা হয়।

অভিযান শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে স্থানীয় হকার ও ব্যবসায়ীদের কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে জানানো হয়েছে যে, মেট্রোরেল স্টেশনের সৌন্দর্য, যাত্রী নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এই ধরনের অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে নিয়মিত ও ঝটিকা অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো অবস্থাতেই রাষ্ট্রীয় এই গুরুত্বপূর্ণ কেপিআই (KPI) কেপিআইভুক্ত স্থাপনার নিচে নতুন করে কাউকে বসতে দেওয়া হবে না।

মন্তব্য করুন