রাজনৈতিক বিবেচনা ছাড়াই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে: অর্থমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক: কোনো ধরনের রাজনৈতিক বিবেচনা কিংবা দলীয় পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই নিরপেক্ষ নীতি কঠোরভাবে বজায় থাকবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
আজ রবিবার (৩০ আগস্ট ২০২৬) সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আয়োজিত ‘বন্যা-পরবর্তী পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন সহায়তা’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ত্রাণ ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর সহায়তা বিতরণে আধুনিক দক্ষতা ও স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্বারোপ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশে অতীতে বিতরণ ব্যবস্থার দুর্বলতা ও ত্রুটির কারণে বিপুল অপচয় এবং নজিরবিহীন দুর্নীতি হয়েছে। বিশাল জনগোষ্ঠীর কাছে সরকারের একার পক্ষে স্বচ্ছতার সাথে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত দুরূহ। তবে এবার সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমে বেসরকারি খাত ও প্রতিষ্ঠিত এনজিওগুলোকে সরাসরি সম্পৃক্ত করায় পুরো বিতরণ প্রক্রিয়ার সার্বিক দক্ষতা বহুগুণ বেড়েছে। ফলে অপচয় ও অনিয়ম রোধ করা সম্ভব হয়েছে।” তিনি সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, এবারের বন্যা-পরবর্তী সহায়তা কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত দুর্নীতির কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের সাফল্য ও গ্রহণযোগ্যতার পরিসংখ্যান তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী জানান, সম্প্রতি বাস্তবায়িত পাইলট প্রজেক্টে ত্রুটির হার ছিল মাত্র ১ দশমিক ২ শতাংশ, যা বাংলাদেশের সামগ্রিক আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত নগণ্য ও বড় এক সাফল্য। প্রকৃত দুস্থদের অধিকার নিশ্চিত করতে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর সুযোগ দেওয়া হয়নি এবং ভবিষ্যতেও প্রকৃত উপকারভোগীরাই এই সুবিধার আওতায় থাকবেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আমিরুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম ওয়াসা-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।