রামপুরা-নতুনবাজার সড়কে ভয়াবহ যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১০:৫১ পূর্বাহ্ণ
রামপুরা-নতুনবাজার সড়কে ভয়াবহ যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা
রাজধানীর রামপুরা-নতুনবাজার সড়কে থমকে থাকা দীর্ঘ যানবাহনের সারি ও হেঁটে চলা যাত্রীরা।
অনলাইন ডেস্ক: ভোর রাতের ভারী বৃষ্টি এবং পরবর্তীতে সড়কে দুটি মালবাহী ট্রাক বিকল হয়ে পড়ার কারণে রাজধানীর অত্যন্ত ব্যস্ত রামপুরা থেকে নতুনবাজার প্রধান সড়কে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে মেরাদিয়া এলাকায় এই অনাকাঙ্ক্ষিত সড়ক অবরোধের ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজার হাজার অফিসগামী চাকুরিজীবী, শিক্ষার্থী ও জরুরি কাজে বের হওয়া সাধারণ মানুষ।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে হঠাৎ বৃষ্টির কারণে রামপুরা সংলগ্ন মেরাদিয়া এলাকায় সড়কে পানি জমে যায়। পানি জমে থাকা অবস্থায় দুটি ট্রাক পরপর ইয়ান্ত্রিক ত্রুটিতে বিকল হয়ে প্রধান সড়কের মাঝামাঝি আটকে পড়ে। দেখতে দেখতে এর নেতিবাচক প্রভাব মেরাদিয়া, বাড্ডা এবং নতুনবাজার থেকে রামপুরা অভিমুখী পুরো সড়কে ছড়িয়ে পড়ে এবং দীর্ঘ কিলোমিটারজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়।

ঘটনাস্থলে শত শত গণপরিবহন, ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল ঘণ্টার পর ঘণ্টা একই স্থানে স্থির হয়ে আটকে থাকে।

দীর্ঘক্ষণ যানবাহনে বন্দি থাকার পর সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারার তীব্র ক্ষোভ ও আশঙ্কায় শত শত যাত্রী বাস থেকে নেমে বৃষ্টির কাদা-পানি মেরিয়েই পায়ে হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হন। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে দেখা গেছে নারী, শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ রোগীদের।

যানজট এড়াতে নতুনবাজার থেকে বাড্ডা লিংক রোড ব্যবহারকারী ‘আলিফ’ ও ‘বৈশাখী’ পরিবনের বেশ কয়েকটি বাসকে বিকল্প পথ হিসেবে গুলশান-২ হয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। এর ফলে গুলশান সংলগ্ন সংযোগ সড়কগুলোতেও সকালে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ সৃষ্টি হয়। তবে রামপুরা থেকে কুড়িল বিশ্বরোড অভিমুখে মূল সড়কে যানবাহন চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক ছিল।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের রামপুরা জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) আসাদুজ্জামান জানান, "ভোরে বিকল হয়ে যাওয়া দুটি ট্রাকের মধ্যে ইতোমধ্যেই একটিকে রেকার দিয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং অন্যটি দ্রুত অপসারণের কাজ চলছে। ট্রাক বিকল হয়ে সড়কের প্রশস্ততা কমে যাওয়ায় নতুনবাজার থেকে রামপুরা পর্যন্ত যান চলাচলের গতি থমকে গিয়েছিল। দ্রুতই পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।"

মন্তব্য করুন