ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসলামি সংগীতের ধারায় ধারাবাহিক সাফল্যের পর এবার বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন তরুণ কণ্ঠশিল্পী মুছলেহ উদ্দিন আকন্দ। সম্প্রতি মরক্কোর বিখ্যাত ওউয়ারজাজাত (Ouarzazate) শহরে চিত্রায়িত তাঁর নতুন উর্দু নাশিদ ‘ইয়া শাফী’ প্রকাশের মাধ্যমে তিনি ইসলামি সংগীতের প্রচলিত ধারায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছেন।
বিশ্ববিখ্যাত নির্মাতা বদর আল হাসানি-এর নির্দেশনায় নির্মিত এই প্রজেক্টটি কেবল একটি সাধারণ সংগীত প্রযোজনা নয়, বরং একটি পরিপূর্ণ শৈল্পিক উপস্থাপনা। হলিউডের বড় বড় সিনেমা এবং ‘গেম অব থ্রোনস’-এর মতো সিরিজের শুটিং লোকেশন ওউয়ারজাজাতের প্রাচীন স্থাপত্য ও মরুভূমির দৃশ্যপট কাজটিকে দিয়েছে আন্তর্জাতিক মানের নান্দনিকতা।
বাংলা ও আরবি মৌলিক নাশিদের পর এবারই প্রথম উর্দু সংগীতে কণ্ঠ দিয়েছেন মুছলেহ। এর মাধ্যমে তিনি বহুভাষিক ইসলামি সংগীতচর্চায় নিজের অবস্থানকে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে আরও সুদৃঢ় করেছেন। এর আগে তাঁর জনপ্রিয় কাজ ‘ফিদাকা ক্বালবি’, ‘ওয়া রাফানা লাকা যিকরাক’, ‘হৃদয়ের গহীনে তুমি’, ‘রাহমান’ এবং মুসলিম ইতিহাস ঐতিহ্য নিয়ে নির্মিত ‘রক্তের পরিচয়’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোটি কোটি দর্শক-শ্রোতার মন জয় করেছে।
নতুন এই কাজ নিয়ে মুছলেহ বলেন, “এটি আত্মার গভীর থেকে উঠে আসা এক নিঃশব্দ মিনতি; কণ্ঠে বাঁধা এক দোয়া, যেখানে শব্দ নয়, অনুভবই মুখ্য। আমি চেয়েছি এই সংগীতের মাধ্যমে মানুষ তার যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি ও ব্যথার ভার নামিয়ে রেখে আল্লাহর ‘শিফা’ বা আরোগ্যের দিকে মন ফেরাক।”
বিদেশের লোকেশনে শুটিং প্রসঙ্গে মুছলেহ তাঁর দেশপ্রেম ও শৈল্পিক দর্শন পরিষ্কার করেছেন। তিনি বলেন, “আমি একজন বাংলাদেশি এবং আমার শিকড় এ দেশের সঙ্গেই প্রোথিত। তবে একটি সংগীতের ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিংয়ের জন্য উপযুক্ত ল্যান্ডস্কেপ ও দৃশ্যপট প্রয়োজন হয়, যা অনেক সময় দেশের ভেতরে পাওয়া যায় না। আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতেই আমি হলিউডের প্রিয় লোকেশন ওউয়ারজাজাতকে নির্বাচন করেছি।”
তিনি আরও যোগ করেন, “আরবি ও উর্দু ভাষায় গাওয়ার মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বমঞ্চে ইসলামি সংস্কৃতিতে বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিত্বকারী দেশ হিসেবে তুলে ধরা।”
ইউটিউবে
এম.এম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ