ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
আব্দুর রইচ, মহম্মদপুর (মাগুরা) : পবিত্র রমজানের শেষলগ্নে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় বইতে শুরু করেছে ঈদের আমেজ। প্রিয়জনের মুখে হাসি ফোটাতে ফাল্গুনের তপ্ত রোদ আর গরমকে উপেক্ষা করেই শপিং মল ও বিপণিবিতানগুলোতে ভিড় করছেন সব বয়সী মানুষ। উপজেলার ছোট-বড় সব মার্কেটেই এখন কেনাকাটার ধুম লেগেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে মহম্মদপুরের ব্যবসায়ীরা তাঁদের দোকানে নতুন নতুন ডিজাইনের পোশাকের পসরা সাজিয়েছেন। বর্ণিল আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে প্রতিটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে অনেক দোকানের সামনে রাখা হয়েছে বাহারি পোশাক পরা ‘মিনি কুইন’ বা ম্যানিকুইন। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে এই ব্যস্ততা।
এবারের ঈদ বাজারে দেশি ও বিদেশি উভয় প্রকার পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। তবে গরমের কারণে সুতি শাড়ি, সুতি থ্রি-পিস ও টি-শার্টের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এছাড়া ছেলেদের পাঞ্জাবি, পায়জামা, জিন্স ও গেঞ্জি এবং শিশুদের বাহারি পোশাকের বিক্রিও বেশ তুঙ্গে। পাশাপাশি জুতা, গয়না ও প্রসাধনীর দোকানেও নারীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে।
পল্লী চিকিৎসক জামাল উদ্দিন জানান, “পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের জন্য কেনাকাটা করতে এসেছি। গত বছরের তুলনায় এ বছর পোশাকের দাম কিছুটা বেশি মনে হলেও তা এখনো সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে।”
কাপড় ব্যবসায়ী মো. লিটন মিয়া বলেন, “সারাবছর আমরা এই ঈদের জন্য অপেক্ষা করি। এ বছর শুরুটা ধীরগতিতে হলেও এখন কেনাবেচা খুব ভালো হচ্ছে।” শাহানা বস্ত্রালয় এন্ড লেডিস কর্ণারের স্বত্বাধিকারী মো. নাজমুল হাসান জানান, ১৫ রোজার পর থেকেই বাজার পুরোপুরি জমে উঠেছে। তবে পুরুষের তুলনায় নারী ক্রেতাদের সংখ্যা এবং কেনাকাটার পরিমাণ বেশি।
উত্তপ্ত রোদ আর ঝাঝালো গরমও দমাতে পারছে না মহম্মদপুরের ঈদের আনন্দকে। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই নিজের সাধ্যমতো সেরে নিচ্ছেন ঈদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ