গাজীপুরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর স্বামীর আত্মসমর্পণ
মহিউদ্দিন আহমেদ (বিশেষ প্রতিবেদক, গাজীপুর): পারিবারিক কলহের জেরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সীমা রানীকে (২৫) ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা ও মাথায় আঘাত করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী উদ্ভবের (৩৫) বিরুদ্ধে। নির্মম এই ঘটনার পর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে শ্রীপুর থানায় গিয়ে নিজেই আত্মসমর্পণ করেছেন ঘাতক স্বামী।
রোববার (১১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের বড়চালা গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। নিহত সীমা রানী ওই গ্রামের উদ্ভবের স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে উদ্ভব ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর স্ত্রীর গলা ও মাথায় এলোপাতাড়ি কোপ মারেন। এতে ঘটনাস্থলেই সীমা রানীর মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে উদ্ভব জরুরি সেবা নম্বরে কল করে পুলিশকে বিষয়টি জানান এবং সরাসরি থানায় হাজির হয়ে দায় স্বীকার করেন।
খবর পেয়ে শ্রীপুর থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর আলম জানান, অভিযুক্ত স্বামী থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেছেন এবং তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
এআইএল/সকালবেলা