ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
জলিলুর রহমান জনি, স্টাফ রিপোর্টার: পবিত্র রমজান মাসকে কেন্দ্র করে সিরাজগঞ্জ শহরে উৎসবমুখর পরিবেশে জমে উঠেছে ইফতারের বাজার। প্রতিদিন দুপুর গড়ানোর পর থেকেই শহরের বড় বাজার থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার অলিগলিতে হরেক রকমের ইফতারি সাজিয়ে বসছেন বিক্রেতারা। বিকেল হতেই সেসব দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। শহরের বড় বাজার, মাসুমপুর বৌ বাজার, বাজার স্টেশন, গুড়ের বাজার, মিরপুর ওয়াবদা ও কালিবাড়ি বাজার এলাকা ঘুরে দেখা গেছে প্রাণবন্ত চিত্র। ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত রেস্তোরাঁ—সবখানেই এখন ইফতারির পসরা। ছোলা, বুন্দিয়া, মুড়ি, পেঁয়াজু, বেগুনি, ডিম চপ আর শাহী জিলাপির সুগন্ধে ম ম করছে চারপাশ। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে শহরের বিভিন্ন মোড়ে বসেছে সলপের বিখ্যাত ঘোলের দোকান, যেখানে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন চোখে পড়ার মতো।
বাজারে এবার ইফতার সামগ্রীর দাম গত বছরের তুলনায় কিছুটা চড়া। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ছোলা প্রতি কেজি ২০০ টাকা, জিলাপি ১৪০ টাকা, বুন্দিয়া ২০০ টাকা এবং পেঁয়াজু ২০০ থেকে ২১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ঘোল ও মাঠা প্রতি লিটার ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং মানভেদে খেজুর ২৫০ থেকে ২০০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লেবুর হালি ঠেকেছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। স্টেশন বাজারের বিক্রেতা বাবু জানান, এবার রোজার শুরু থেকেই বেচাকেনা বেশ ভালো। গত বছরের তুলনায় অবিক্রিত পণ্যের পরিমাণ নেই বললেই চলে।
তবে ক্রেতাদের কণ্ঠে ঝরছে কিছুটা অসন্তোষ। জহুরুল হক নামের এক বয়োজ্যেষ্ঠ ক্রেতা অভিযোগ করেন, প্রতিটি জিনিসের দাম বেশি হওয়ায় সাধারণ মানুষের জন্য পর্যাপ্ত ইফতারি কেনা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। একই সুর তরুণ ক্রেতা রাকিবের কণ্ঠেও; তিনি জানান, ফুটপাতের তুলনায় নামী রেস্তোরাঁগুলোতে দামের ব্যবধান অনেক বেশি। নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখী দামের প্রভাব ইফতার বাজারে থাকলেও সিরাজগঞ্জবাসীর কেনাকাটার উৎসাহে কোনো কমতি নেই। বাহারি ইফতারি আর ক্রেতা-বিক্রেতার হাকডাকে পুরো শহর এখন রমজানের আমেজে মাতোয়ারা।
এম.এম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ