আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি রহমতুল্লাহ আর নেই
আজ বুধবার (৩ জুন) দুপুর ১২টা ২৮ মিনিটে অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত ‘আওয়ামী লীগ’ ও ‘জাতীয় রাজনীতি ও শোক’ বিভাগের এক বিশেষ জরুরি বুলেটিনে এই প্রবীণ রাজনীতিবিদের মৃত্যুর খবর বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো।
আজ বুধবার ভোর ৪টা ৫ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সাবেক এই সংসদ সদস্যের মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন তাঁর মেয়ে মানসুরা রহমতুল্লাহ। তিনি জানান, হাসপাতাল থেকে তাঁর বাবার মরদেহ ইতিমধ্যেই রাজধানীর বাড্ডার বেরাইদ এলাকার নিজস্ব বাসভবনে নিয়ে আসা হয়েছে।
রহমতুল্লাহর পারিবারিক সূত্র জানায়, বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতা নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। সেখানেই চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। তবে আজ ভোরে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম রহমতুল্লাহ আমৃত্যু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এর আগে তিনি অত্যন্ত সফলতার সাথে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বও সামলেছেন। এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয় এই প্রবীণ নেতা তাঁর রাজনৈতিক জীবনে মোট পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রথমবার তৎকালীন ঢাকা-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ এবং সর্বশেষ ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১১ আসন থেকে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে সংসদে বাড্ডা-রামপুরা এলাকার প্রতিনিধিত্ব করেন।
প্রয়াত এ কে এম রহমতুল্লাহর ভাগনে ফারুক আহমেদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আজ বুধবার বেলা সাড়ে ৩টায় বাড্ডার ঐতিহ্যবাহী বেরাইদ মুসলিম হাই স্কুল মাঠে তাঁর মামার প্রথম ও প্রধান জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে বেরাইদ কেন্দ্রীয় কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে। তাঁর মৃত্যুতে বাড্ডা ও বেরাইদ এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জান্নাত সকালবেলা