ফ্যামিলি কার্ডে তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা ১ আগস্ট

প্রকাশ: বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০২:০৪ অপরাহ্ণ
ফ্যামিলি কার্ডে তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা ১ আগস্ট
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি ও ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহের প্রতীকী দৃশ্য।

জাতীয় ডেস্ক: সরকারের বহুল প্রতীক্ষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর নিখুঁত তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে ‘তথ্য সংগ্রহকারী’ (এনুমারেটর) নিয়োগের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে আবেদনকারীদের শিক্ষাগত সনদ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই এবং চূড়ান্ত মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করেছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।

গতকাল সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি থেকে জারি করা এক জরুরি আদেশ ও অফিশিয়াল চিঠিতে এই সময়সূচি জানানো হয়।

চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী মূল অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের সর্বস্তরের প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারকে সমন্বিত সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনতে এ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরজুড়ে দেশব্যাপী প্রতিটি পরিবারের সার্বিক তথ্য সংগ্রহ করে পর্যায়ক্রমে অফিশিয়াল ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে।

নিয়োগ সংক্রান্ত কার্যক্রমে জানানো হয়, প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও অন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আগামী ২৯ ও ৩০ জুলাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর বাছাইকৃত যোগ্য প্রার্থীদের আগামী ১ আগস্ট ২০২৬ মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) অনুষ্ঠিত হবে।

তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে কাজ করতে ইচ্ছুক মাঠপর্যায়ের প্রার্থীদের জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট যোগ্যতার শর্ত বেঁধে দিয়েছে মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে প্রধান শর্তগুলো হলো—ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে কাজ করার আন্তরিক আগ্রহ, শারীরিক সক্ষমতা এবং আধুনিক স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট পরিচালনায় বিশেষ দক্ষতা। ডিজিটাল পদ্ধতিতে অ্যাপের মাধ্যমে সঠিক ও দ্রুত তথ্য সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন করতেই এ প্রযুক্তিগত দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. সাইফুল হক স্বাক্ষরিত এই বিজ্ঞপ্তিতে জেলা প্রশাসন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), জেলা সমাজসেবা কার্যালয় এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করার কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্ত তথ্য সংগ্রহকারীদের জন্য প্রশিক্ষণ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব বণ্টন ও তথ্য সংগ্রহের সময়সূচিসহ পরবর্তী নির্দেশনা দ্রুত জানিয়ে দেওয়া হবে।

সরকারের এই বৃহৎ উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের সব পরিবারের একটি আধুনিক ও সর্বজনীন কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরি হবে, যা ভবিষ্যতে সরকারের অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী ও ভাতা কার্যক্রম বাস্তবায়নে অনন্য ভূমিকা রাখবে।


মন্তব্য করুন