সামরিক জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার আহ্বান সেনাপ্রধানের
অনুষ্ঠানে নবীন অফিসারদের উদ্দেশে সেনাপ্রধান বলেন, “সামরিক জীবনে ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম। যার মাধ্যমে একজন সেনা সদস্য কর্মক্ষেত্রে নিজেকে আদর্শবান, মর্যাদাবান ও উন্নত চরিত্রের অধিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়।” তিনি ক্যাডেটদের স্মরণ করিয়ে দেন যে, প্রশিক্ষণ শেষে এখন তাদের কাঁধে দেশ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব অর্পিত হলো।
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত বিএমএ থেকে কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। তিনি বলেন, “চির উন্নত মম শির’ মূলমন্ত্রে দীক্ষিত সেনাবাহিনী বিএমএ-এর দূরদর্শী পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের সমৃদ্ধ করে চলেছে।”
দীর্ঘ তিন বছরের কঠোর প্রশিক্ষণ শেষে এবারের কোর্সে মোট ১৮৪ জন অফিসার কমিশন লাভ করেন, যার মধ্যে ১৬৬ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী অফিসার রয়েছেন। এছাড়াও ফিলিস্তিন, তানজানিয়া, জাম্বিয়া ও মালদ্বীপের ৭ জন ক্যাডেট প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। অনুষ্ঠানে ‘সোর্ড অব অনার’ ও ‘সেনাবাহিনী প্রধান স্বর্ণপদক’ অর্জন করেন ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার খায়রুল ইসলাম।
কুচকাওয়াজ শেষে সেনাবাহিনী প্রধান বিএমএ-তে প্রশিক্ষণ সক্ষমতা বাড়াতে ‘২য় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন’ উদ্বোধন করেন। এছাড়া তিনি সিএমএইচ ভাটিয়ারি, বিএমএ পার্ক, সুইমিং পুল এবং এমইএস অফিস কমপ্লেক্সের মতো আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন সামরিক-অসামরিক কর্মকর্তা এবং ক্যাডেটদের অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জান্নাত সকালবেলা
|