ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে বাড়তে থাকা চরম উত্তেজনার মধ্যেই আজ সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় তৃতীয় দফা পরোক্ষ আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, কূটনৈতিক আলোচনা ফলপ্রসূ না হলে ইরানের ওপর সামরিক হামলার পথটি তিনি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছেন। ওমানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই বৈঠকে ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে থাকবেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জারড কুশনার।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যে এবারই সবচেয়ে বড় সামরিক উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে ওয়াশিংটন। দুটি বিমানবাহী রণতরীসহ বিশাল যুদ্ধজাহাজ ও সেনাবহর মোতায়েনের মাধ্যমে ইরানকে চাপে রাখার কৌশল নিয়েছেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি যে ইরান এমন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বানাচ্ছে যা যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানতে সক্ষম। অন্যদিকে ইরান নিজ ভূখণ্ডে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধের মার্কিন দাবি প্রত্যাখ্যান করলেও তারা কিছু বিষয়ে ছাড় দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন যে তারা কোনো অবস্থাতেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবেন না এবং পারস্পরিক উদ্বেগ দূর করে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি করার সুযোগ এখনো আছে। তবে মার্কিন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী আলোচনা ব্যর্থ হলে ট্রাম্প ইরানের বিপ্লবী গার্ড বা প্রধান পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে প্রাথমিক হামলার পরিকল্পনা করছেন। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানও সতর্ক করে দিয়েছে যে হামলা হলে তারা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলে জোরালো পাল্টা আঘাত হানবে। যুদ্ধের এই আবহেই বিশ্ববাসীর নজর এখন জেনেভার আলোচনার ফলাফলের দিকে।
এম.এম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ