বড় মেয়ের আত্মত্যাগের গল্প দেখে কী বলছেন দর্শক
বিনোদন ডেস্ক: বর্তমান সময়ে ছোটপর্দায় পারিবারিক গল্পের নাটকের চাহিদা বাড়ছে। এরই ধারাবাহিকতায় পরিচালক রাফাত মজুমদার রিংকু নির্মিত ‘ঝরা বকুল’ নাটকটি দর্শকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। গরীব পরিবারের বড় মেয়ে মনিরার জীবনের সংগ্রাম, দায়িত্ববোধ ও প্রেমের গল্প নিয়ে নির্মিত এই নাটকটি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রে।
নাটকে মনিরা চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুনেরাহ বিনতে কামাল এবং কবির চরিত্রে ইয়াশ রোহান। পরিবারের অভাবের কারণে নিজের ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ও বিয়ের কথা ভুলে সংসারের হাল ধরে রাখা মনিরার চরিত্রে সুনেরাহর অভিনয় দর্শককে আবেগাপ্লুত করেছে। তার এই ত্যাগের গল্পের বিপরীতে কবিরের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা নাটকটিকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এতে আরও অভিনয় করেছেন ডলি জহুর, রোজী সিদ্দিকী ও গোলাম ফরিদা ছন্দা।
৩ জুলাই রঙ্গন এন্টারটেইনমেন্টের ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তির পর থেকেই নাটকটি রেকর্ডের পথে। সোমবার পর্যন্ত নাটকটির ভিউ ১০ মিলিয়নের (এক কোটি) মাইলফলক স্পর্শ করেছে। ১১ হাজারের বেশি মন্তব্যে দর্শকরা নাটকের স্ক্রিপ্ট ও শিল্পীদের অভিনয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
নামের একজন দর্শক লিখেছেন, ‘ঝরা বকুল ঠিক তেমনই একটি গল্প, যা হৃদয়ে বকুল ফুলের সুবাস হয়ে বেঁচে থাকবে।’ মন্তব্য করেছেন, ‘মনিরার মতো অনেক মেয়েই সংসারে পিষ্ট হয়, কিন্তু মনিরার মতো তারা খুব কমই কবিরের মতো জীবনসঙ্গী পায়।’ অনেকেই নাটকটির দ্বিতীয় পার্ট তৈরির আবেদনও জানিয়েছেন।
নাটকটির প্রযোজক জামাল হোসেন বলেন, ‘দর্শক এখন অতি নাটকীয়তার চেয়ে জীবনের বাস্তব সুখ, দুঃখ ও স্ট্রাগল দেখতে বেশি পছন্দ করেন।’ নির্মাতা রাফাত মজুমদার রিংকু জানান, ‘মানুষ নাটকে যখন নিজেদের বাস্তব জীবনের প্রতিফলন খুঁজে পায়, তখনই সেটি সহজে গ্রহণ করে। ঝরা বকুল-এর সাফল্যের মূল কারণ এটিই।’
পারিবারিক টানাপোড়েন ও বাস্তবধর্মী চিত্রায়ণের কারণে ‘ঝরা বকুল’ চলতি সময়ের অন্যতম সফল একটি নাটক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জান্নাত সকালবেলা
|