ইমতিয়াজ মাহমুদ ইমন, কক্সবাজার: বান্দরবানের ঘুমধুম সীমান্তে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির হঠাৎ অবস্থান ও গোলাগুলিতে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এক মাস শান্ত থাকার পর গত সোমবার সন্ধ্যা থেকে আধাঘণ্টার গোলাগুলির শব্দে পুরো সীমান্ত এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। এরপর থেকেই জলপাইতলী ও ঢেকুবনিয়া ফকিরপাড়া ক্যাম্পে আরাকান আর্মির নারী ও পুরুষ সদস্যদের পতাকা উড়িয়ে সশস্ত্র অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
সীমান্তের জলপাইতলী ও ঘুমধুম এলাকার বাসিন্দারা জানান, গুলির শব্দে তারা ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান। স্থানীয় বাসিন্দা হামিদুল হক ও মোহাম্মদ আলমের মতে, দীর্ঘ এক মাস পর আবারও সশস্ত্র অবস্থানের কারণে কৃষক ও খামারিরা কাজে যেতে ভয় পাচ্ছেন। বাড়ির কাছেই কয়েকটি গুলি এসে পড়ায় জিরো পয়েন্টের বাসিন্দারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সীমান্তের কাঁটাতার ঘেঁষে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর এই উপস্থিতি স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে বড় সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি করেছে।
কক্সবাজারস্থ ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম জানান, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘটিত এই গোলাগুলি সম্পূর্ণভাবে তাদের নিজস্ব বিষয়। বর্তমানে বিজিবি সীমান্তে টহল ও নজরদারি বাড়িয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই ঘটনা বাংলাদেশের সীমানা থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার ভেতরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ঘটেছে, তাই সীমান্তবাসীর আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
এ.আই.এল/সকালবেলা