জীবনযাপন ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন তাকালেই চোখে পড়ছে সাদা কাগজে মোমরঙে আঁকা অগোছালো সব প্রোফাইল ছবি। দেখে মনে হবে যেন কোনো শিশুর অপটু হাতে আঁকা। জয়া আহসান থেকে শুরু করে নুসরাত ফারিয়ার মতো তারকারাও মেতেছেন এই ‘ক্রেয়ন ড্রয়িং’ ট্রেন্ডে। যান্ত্রিক জীবনে একটুখানি শৈশবের সারল্য খুঁজে পেতেই এই নতুন উন্মাদনা। আজ রবিবার (৩ মে ২০২৬) এই ট্রেন্ডের আদ্যোপান্ত নিয়ে সাজানো হয়েছে প্রতিবেদনটি।
সোশ্যাল মিডিয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষ সবসময়ই শিকড় বা শৈশবে ফেরার পথ খোঁজে। এই ট্রেন্ডের জনপ্রিয়তার পেছনে তিনটি প্রধান কারণ রয়েছে:
আবেগ ও নস্টালজিয়া: ছোটবেলার সেই মোমরঙের ছবির প্রতি সবারই একধরনের টান কাজ করে। এই এআই ইফেক্ট ঠিক সেই স্মৃতিকেই মনে করিয়ে দিচ্ছে।
সহজপ্রাপ্যতা: আগে এমন একটি ছবি হাতে আঁকতে বা ফটোশপে তৈরি করতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় লাগত, এখন এআই-এর মাধ্যমে তা কয়েক সেকেন্ডেই সম্ভব।
স্বাতন্ত্র্য: গতানুগতিক ফিল্টারের চেয়ে প্যাস্টেল টেক্সচার ও উজ্জ্বল রঙের এই অগোছালো স্কেচগুলো টাইমলাইনে দ্রুত মানুষের নজর কাড়ছে।
নিজের ফেসবুক প্রোফাইল বা যেকোনো ছবিকে এই ট্রেন্ডের ছোঁয়া দিতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন: ১. প্রথমে আপনার ফেসবুক প্রোফাইলের একটি স্ক্রিনশট নিন অথবা আপনার নিজের কোনো স্পষ্ট ছবি বেছে নিন। ২. বর্তমানে এই কাজটি সবচেয়ে নিখুঁতভাবে করছে চ্যাটজিপিটি (Chat GPT)। চ্যাটজিপিটিতে আপনার ছবিটি আপলোড করুন। ৩. এরপর নিচের প্রম্পটটি লিখে কমান্ড দিন:
“Please recreate the entire image in a crayon drawing style. Simplify the details so that it looks like it was drawn by a 10-year-old child. Do not use the original colors from the image. Make the overall look feel like it was drawn on a sheet of white paper, with a very cute and playful vibe. You can add adorable elements such as flowers, candies, stars, clouds, etc., to give it a childlike and innocent feel.”
অথবা বাংলায় বলতে পারেন: “এই ছবিটিকে ক্রেয়ন ড্রয়িং স্টাইলে রূপান্তর করো। এটা যেন দেখতে ১০ বছরের বাচ্চার আঁকা ছবির মতো মনে হয়। ছবিতে ফুল, তারা, মেঘ ও ক্যান্ডির মতো কিছু সুন্দর জিনিস যোগ করতে পারো।”
ছবিটি পছন্দমতো তৈরি হয়ে গেলে তা সেভ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতে পারেন। প্রযুক্তির ভিড়ে শৈশবের সেই সারল্য ফিরিয়ে আনতেই মূলত এই ট্রেন্ডের বিস্তার।
জান্নাত/সকালবেলা