মোঃ বাপ্পি শেখ, ঝিনাইদহ: ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার চর-ত্রিবেণী গ্রামে এক নজিরবিহীন ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। নিজের বড় মেয়ের জন্য পছন্দ করা হবু জামাইয়ের সঙ্গে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমিয়েছেন মা রিমি খাতুন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও সাধারণ মানুষের মাঝে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটকের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর গ্রামের মামুন হোসেন নামে এক যুবকের সাথে পরিচয় হয় রিমি খাতুনের। মামুন নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন। সেই সূত্র ধরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হলে রিমি তার নিজের সাবালিকা মেয়ের বিয়ের জন্য মামুনকে পছন্দ করেন।
বিয়ের আলাপ-আলোচনা চলাকালীন মা ও হবু জামাইয়ের মধ্যকার অতিরিক্ত মেলামেশা দেখে মেয়ে এই বিয়েতে তীব্র আপত্তি জানায়। পরিবারের দাবি, মা ও হবু জামাইয়ের অনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে ঘরে অশান্তি ও মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে একপর্যায়ে তাদের বড় মেয়ে আত্মহত্যা করেন।
বড় মেয়ের মৃত্যুর পরেও রিমি ও মামুনের সম্পর্ক থামেনি। অবশেষে গত ২৭ এপ্রিল স্বামী রাসেদ আলী বাড়িতে না থাকার সুযোগে ছোট দুই সন্তানকে সাথে নিয়ে হবু জামাই মামুনের হাত ধরে ঘর ছাড়েন রিমি খাতুন। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী স্বামী রাসেদ আলী শৈলকুপা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
শৈলকুপা থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং নিখোঁজদের অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
এ.আই.এল/সকালবেলা