ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর এখন সবার নজর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভার দিকে। প্রায় দুই দশক পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফিরতে যাওয়া বিএনপির এই নতুন সরকারে কারা থাকছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক গুঞ্জন চলছে। বিশেষ করে কিশোরগঞ্জ জেলার নবনির্বাচিত দুই হেভিওয়েট সংসদ সদস্য ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট ফজলুর রহমানকে গুরুত্বপূর্ণ দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
দলীয় নীতিনির্ধারণী সূত্রের ইঙ্গিত অনুযায়ী, কিশোরগঞ্জ-৩ আসন থেকে বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুককে পুনরায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। সাবেক এই শিক্ষামন্ত্রী তার পূর্বের মেয়াদে শিক্ষা খাতে বেশ কিছু প্রশংসনীয় সংস্কার করেছিলেন। অক্সফোর্ড ও বিশ্বব্যাংকের অভিজ্ঞতাসমৃদ্ধ এই বরেণ্য শিক্ষাবিদকে আবারও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে এনে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা করছে বিএনপি। তারেক রহমানের আগামীর রাষ্ট্র সংস্কারের ভিশন বাস্তবায়নে একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ নেতা হিসেবে ওসমান ফারুকই নেতৃত্বের অগ্রভাগে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসন থেকে বড় ব্যবধানে জয়ী বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট ফজলুর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। হাওর অঞ্চলের এই প্রবীণ নেতা একজন রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং দলের দুঃসময়ের কান্ডারি হিসেবে পরিচিত। দলীয় সূত্র বলছে, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান পুনরুদ্ধার এবং প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা তালিকা স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করতে তারেক রহমান একজন ত্যাগী ও অভিজ্ঞ মুক্তিযোদ্ধাকেই এই দপ্তরে রাখতে চান। মন্ত্রিসভায় তার অন্তর্ভুক্তি হাওরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করবে বলেও মনে করছেন স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।
যদিও মন্ত্রিসভা গঠনের বিষয়ে এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা দেয়নি বিএনপি, তবে তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ মহলে কিশোরগঞ্জের এই দুই নেতার নাম শীর্ষ তালিকায় রয়েছে বলে গুঞ্জন রয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অভিজ্ঞ ও নবীনদের সমন্বয়ে যে ভারসাম্যপূর্ণ মন্ত্রিসভা গঠনের ইঙ্গিত তারেক রহমান দিয়ে আসছেন, তাতে ওসমান ফারুকের মতো বিশেষজ্ঞ এবং ফজলুর রহমানের মতো ত্যাগী মুক্তিযোদ্ধাদের অন্তর্ভুক্তি সরকারের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করবে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন মন্ত্রিসভার শপথ এবং দপ্তর বণ্টনের মাধ্যমে এই জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটবে।
এম.এম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ