ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: সদ্য গঠিত তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের মন্ত্রিসভায় জায়গা পাননি বিএনপির বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট ও পরীক্ষিত নেতা। দল ক্ষমতায় এলেও প্রথম সারির এসব নেতার মন্ত্রিসভায় না থাকা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে সরব আলোচনা ও নানামুখী বিশ্লেষণ। দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া এই নেতারা কেন এবং কীভাবে কোণঠাসা হলেন, তা নিয়ে দলের ভেতরে-বাইরে কৌতূহলের অন্ত নেই।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, মন্ত্রিসভায় জায়গা পাননি দলের সবচেয়ে সিনিয়র ও নীতিনির্ধারক পর্যায়ের নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং ড. আব্দুল মঈন খান। তবে দলের ভেতরে জোর গুঞ্জন রয়েছে, এই দুজনের একজনকে হয়তো দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনীত করা হতে পারে। মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েছেন স্থায়ী কমিটির আরেক প্রবীণ সদস্য নজরুল ইসলাম খানও। তবে তাকে সরকারপ্রধানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা করা হতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে। এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামের প্রথম সারিতে থাকলেও নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা হয়নি স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং সেলিমা রহমানের।
স্থায়ী কমিটির বাইরেও কেন্দ্রীয় নেতাদের এক বিশাল অংশ মন্ত্রিসভার তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। বিশেষ করে রাজপথের লড়াকু নেতা হিসেবে পরিচিত দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এবং হাবিব-উন-নবী খান সোহেলের মতো নেতারা মন্ত্রিসভায় জায়গা না পাওয়ায় তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী অবাক হয়েছেন। এছাড়া দলের সুপরিচিত মুখ ও প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, ডাকসুর সাবেক ভিপি আমানউল্লাহ আমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ড. ওসমান ফারুক, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবর, খায়রুল কবির খোকন, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং ড. রেজা কিবরিয়াও মন্ত্রিত্ব পাননি।
শুধু বিএনপির নেতারাই নন, জোটের শরিকদের অনেকেও মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি। এর মধ্যে অন্যতম হলেন ২০ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। হেভিওয়েট এসব নেতার বাদ পড়া এবং নতুনদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকার পরিচালনায় দলের হাইকমান্ড এবার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি একটি নতুন ও পরিচ্ছন্ন ইমেজ তুলে ধরতে চাইছে। তবে বাদ পড়া এসব নেতাকে ভবিষ্যতে দলের বা সরকারের অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে মূল্যায়ন করা হয় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
এম.এম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ