ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২১২টি আসনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরতে যাওয়া দলটির মন্ত্রিসভা কেমন হবে এবং কারা থাকছেন আগামীর নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে, তা নিয়ে এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া এই নতুন মন্ত্রিসভা হবে নবীন ও প্রবীণের এক চমৎকার সমন্বয়, যেখানে ব্যক্তিগত যোগ্যতার পাশাপাশি বিষয়ভিত্তিক অভিজ্ঞ বা এক্সপার্টদের প্রাধান্য দেওয়া হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর এখন আইনি প্রক্রিয়া ও গেজেট নোটিফিকেশনের অপেক্ষা চলছে। এরপরই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন এবং মন্ত্রিসভা গঠনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। তিনি আরও জানান, বিএনপির ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ ও নির্বাচনী ইশতেহারের পূর্ণ প্রতিফলন থাকবে এই নতুন সরকারে। তারেক রহমান নিজে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছেন এবং তিনি হতে যাচ্ছেন দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী।
নতুন মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য সদস্যদের নিয়ে রাজনৈতিক মহলে যে আলোচনা চলছে, তাতে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রের অন্যতম কোনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসতে পারেন বলে জোর গুঞ্জন রয়েছে। সিনিয়র নেতাদের মধ্যে মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে পারেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। এছাড়া তরুণ ও যোগ্য নেতৃত্বের প্রতিনিধি হিসেবে আলোচনায় আছেন শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, শামা ওবায়েদ, ফারজানা শারমিন পুতুল, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং হবিগঞ্জ-১ থেকে নির্বাচিত অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া।
টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে ড. হুমায়ুন কবীর, নজরুল ইসলাম খান এবং সেলিমা রহমানের নাম শোনা যাচ্ছে। এই মন্ত্রিসভার একটি বিশেষ আকর্ষণ হতে পারেন তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, যিনি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহযোগিতামূলক বা নীতিনির্ধারণী কোনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, একটি কার্যকর মন্ত্রিসভা গঠনের লক্ষ্যে তারেক রহমান বিষয়ভিত্তিক যোগ্যতাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন, বিশেষ করে শিক্ষা, অর্থ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো দপ্তরগুলোতে অভিজ্ঞদের নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া শরিক দলগুলোর মধ্য থেকে আন্দালিব রহমান পার্থ ও নুরুল হক নুরসহ কয়েকজনের নাম মন্ত্রিসভার তালিকায় থাকতে পারে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে কৌতূহল বিরাজ করছে।
এন.ডি/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ