টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও দূরদর্শী নেতৃত্বে’ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি; ঐতিহাসিক গৌরব ও মাইলফলক হিসেবে অভিহিত

টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

টাইম ম্যাগাজিনে প্রকাশিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি।

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। খ্যাতনামা মার্কিন সাময়িকী ‘টাইম’ (TIME) বুধবার (১৫ এপ্রিল) ২০২৬ সালের এই তালিকা প্রকাশ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর এই আন্তর্জাতিক অর্জনকে দেশের জন্য ‘ঐতিহাসিক গৌরব, আবেগ ও গণতান্ত্রিক মাইলফলক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তার প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

বুধবার সন্ধ্যায় এক ফেসবুক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করে মাহদী আমিন জানান, এই স্বীকৃতির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্ব, অদম্য সাহসিকতা এবং বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তার অবিস্মরণীয় ভূমিকা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পেল।

উপদেষ্টা মাহদী আমিন তার পোস্টে উল্লেখ করেন, একটি কঠিন সময়ে যখন দেশে গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত ছিল এবং মানুষের ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা সংকুচিত ছিল, তখন তারেক রহমান দৃঢ়তা নিয়ে জনগণের সামনে এসে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি শুধু রাজনৈতিক নেতৃত্বই দেননি, বরং নির্যাতিত মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে তাদের মনে নতুন আশা জাগিয়ে তুলেছিলেন।

তিনি আরও লেখেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বেই বাংলাদেশ দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পেরিয়ে পুনরায় গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসেছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তার নেওয়া পদক্ষেপগুলো এখন বিশ্বমঞ্চে প্রশংসিত ও স্বীকৃত।

প্রধানমন্ত্রীর দেশে প্রত্যাবর্তনের প্রসঙ্গ টেনে মাহদী আমিন বলেন, দেশে ফিরে তিনি ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ (I Have A Plan) ঘোষণার মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমন্বিত বাংলাদেশ গড়ার কাজ শুরু করেন। নির্বাচিত সরকারের এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের পথে দেশ অনেকদূর এগিয়েছে।

টাইমের এই স্বীকৃতিকে গণতন্ত্রের জন্য দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, "এটি প্রমাণ করে যে একজন নেতার প্রকৃত শক্তি কেবল ক্ষমতায় নয়, বরং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিহিত। দেশের উন্নয়নে বিভাজন নয়, বরং ঐক্যই সবচেয়ে বড় শক্তি।" তিনি এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিকে দেশের প্রতিটি নাগরিকের অর্জন এবং ‘গণতন্ত্রের বিজয়’ হিসেবে অভিহিত করেন।

এম.এম/সকালবেলা

মন্তব্য করুন