কৃষি উন্নয়নের নতুন অভিযাত্রায় সচিব মোঃ সেলিম খান

প্রকাশ: বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪২ অপরাহ্ণ
কৃষি উন্নয়নের নতুন অভিযাত্রায় সচিব মোঃ সেলিম খান

অনক আলী হোসেন শাহিদী, ঢাকা: বাংলাদেশের অর্থনীতি, খাদ্যনিরাপত্তা ও গ্রামীণ কর্মসংস্থানের মূল ভিত্তি কৃষি খাত। সার, বীজ, সেচ, কৃষি গবেষণা, প্রযুক্তি বিস্তার থেকে শুরু করে দুর্যোগপরবর্তী পুনর্বাসন—এ খাতের বিশাল কর্মকাণ্ডের চালিকাশক্তি কৃষি মন্ত্রণালয়। ফলে এই মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক শীর্ষপদে সচিবের দায়িত্বটি অত্যন্ত বহুমাত্রিক ও গুরুত্বপূর্ণ।

এই পদে নতুন প্রশাসনিক নেতৃত্ব হিসেবে কাজ করছেন মোঃ সেলিম খান। গত ১১ আগস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাঁকে অতিরিক্ত সচিব থেকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ে পদায়ন করা হয়। পরদিন, ১২ আগস্ট তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে নীতি বাস্তবায়ন, দাপ্তরিক সমন্বয় এবং কৃষি রূপান্তরের চলমান কার্যক্রমে গতি আনতে তাঁর সক্রিয়তা নজর কেড়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র এবং বিসিএস ১৮তম ব্যাচের এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এর আগে একই মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিবের দায়িত্বে ছিলেন। ফলে কৃষি খাতের সার্বিক প্রশাসনিক কাঠামো, নীতি ও প্রকল্পের বিষয়ে তাঁর পূর্ব অভিজ্ঞতা মন্ত্রণালয় পরিচালনায় সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিএডিসি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বিএআরসি, বিআরআরআই (ব্রি), বারিসহ প্রায় ১৬টি দপ্তর ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কাজে গতিশীলতা আনাই তাঁর অন্যতম মূল অগ্রাধিকার। দায়িত্ব গ্রহণের পর সারের বাজার স্থিতিশীল রাখা, যথাসময়ে কৃষি উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করা, জলবায়ু-সহিষ্ণু প্রযুক্তি বিস্তার এবং প্রকল্পগুলোর আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতে উদ্যোগী হয়েছেন তিনি।

কৃষি সচিব মোঃ সেলিম খানের সার্বিক কর্মদক্ষতা ও নেতৃত্ব সম্পর্কে কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, “কৃষি সচিব একজন কঠোর পরিশ্রমী, সৎ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। বর্তমান সরকারের ইতিবাচক কৃষি উন্নয়নে তিনি আমাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছেন। প্রতিটি কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে তিনি নিরলসভাবে সহায়তা করে যাচ্ছেন।”

সংশ্লিষ্টদের মতে, বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি, বৈরী আবহাওয়া ও রূপান্তরকালীন চ্যালেঞ্জের মুখে সারের সুষম বণ্টন, কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং মাঠপর্যায়ে নতুন কৃষিপ্রযুক্তি দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার মতো কাজগুলোই আগামী দিনে তাঁর প্রশাসনিক সক্ষমতার মূল স্বাক্ষর বহন করবে।

এআইএল/সকালবেলা

মন্তব্য করুন