প্রধানমন্ত্রীর মোংলা বন্দর সফর উপকূলীয় এলাকার উন্নয়ন ও সক্ষমতা বাড়বে : পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন, নাব্য সংকট নিরসন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির নতুন রোডম্যাপ তৈরিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে বন্দর এলাকা পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারের এই উচ্চপর্যায়ের সফরের মধ্য দিয়ে মোংলা বন্দরসহ সম্পূর্ণ দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও উন্নয়ন বেগবান হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম।
পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী জানান, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রধানমন্ত্রী সরেজমিনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও চলমান উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করবেন। সফরকালে মোংলা নদীর ওপর নতুন সড়ক সেতু নির্মাণ, আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং সুন্দরবন পরিবেশ রক্ষার বিষয়টি বিশেষভাবে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর করা হবে।
পাশাপাশি ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা ফয়লার ‘খানজাহান আলী বিমানবন্দর’ প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়ন ও চালুর বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তাঁর নজরে আনা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সফর উপকূলীয় পিছিয়ে পড়া মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করবে।
সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দরের জেটি ও প্রধান চ্যানেল পরিদর্শন করবেন। এ ছাড়া তিনি সুন্দরবন ও হিরণ পয়েন্ট পর্যবেক্ষণে যাবেন। পাশাপাশি আকরাম পয়েন্টে প্রস্তাবিত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল স্থাপনের স্থান এবং চীনভিত্তিক বিনিয়োগে প্রস্তাবিত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলও (ইজেড) তাঁর পরিদর্শন তালিকায় রয়েছে।
এদিকে মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. জুলফিকার আলী প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, চীন সরকারের সঙ্গে চুক্তি হওয়া নতুন জেটি নির্মাণের স্থানটি পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও জানান, বন্দরে বড় বড় বাণিজ্যিক জাহাজ ভিড়াতে চ্যানেলে সার্বক্ষণিক ও যথাযথ খননকাজ (ড্রেজিং) চালানোর দাবি তোলা হবে, যাতে করে নাব্যতা বজায় থাকে।
সকালবেলা / নুসরাত