ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
পুষ্টিগুণে ভরপুর মধু কেবল সর্দি-কাশি সারাতেই নয়, বরং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও অনন্য। অনেকে ওজন কমানোর আশায় সকালে কুসুম গরম পানিতে মধু মিশিয়ে পান করেন। কিন্তু ওজন নিয়ন্ত্রণে মধু আসলে কতটা কার্যকর এবং প্রতিদিন এটি খাওয়ার ক্ষেত্রে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি, তা জানা প্রয়োজন।
অনেকে চিনির বিকল্প হিসেবে মধু ব্যবহার করেন। তবে মনে রাখা প্রয়োজন, এক টেবিল চামচ মধুতে প্রায় ৬৫ ক্যালরি থাকে, যেখানে একই পরিমাণ চিনিতে থাকে ৫০ ক্যালরি। অর্থাৎ মধুতে ক্যালরি কিছুটা বেশি। তবে মধু চিনির চেয়ে বেশি মিষ্টি হওয়ায় এটি পরিমাণে কম লাগে। পরিমিত পরিমাণে ব্যবহার করলে এটি চিনির চেয়ে স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে, কিন্তু অতিরিক্ত মধু সেবন ওজন বাড়াতেও ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রদাহ রোধ: মধুতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, যা শরীরের ভেতরের প্রদাহ কমাতে এবং হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে সাহায্য করে।
ক্ষত নিরাময়: এতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ থাকায় এটি ক্ষত দ্রুত সারাতে এবং অন্ত্রের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সহায়ক।
পেটের সমস্যা: মধুতে ফ্রুকটোজের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই যাদের 'ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম' (IBS) আছে, তাদের ক্ষেত্রে মধু খেলে গ্যাস, পেট ফাঁপা বা ডায়রিয়ার সমস্যা হতে পারে।
শিশুদের জন্য নয়: এক বছরের কম বয়সী শিশুদের মধু খাওয়ানো একেবারেই উচিত নয়।
পরিমাণ: সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দিনে ১-২ চামচের বেশি মধু খাওয়া ঠিক নয়।
মধু কখনও ফ্রিজে রাখা উচিত নয়। ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখলেই মধু দীর্ঘদিন ভালো থাকে। কেনার সময় তা পরিশোধিত এবং খাঁটি কি না যাচাই করে নেওয়া জরুরি।
জান্নাত/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ