কোলাজেন বাড়াতে উপকারী যেসব খাবার
কোলাজেন হলো শরীরের এক প্রকার অত্যাবশ্যকীয় প্রোটিন, যা ত্বককে মসৃণ, কোমল ও তরুণ রাখতে সাহায্য করে। সাধারণত বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরে প্রাকৃতিক উপায়ে কোলাজেন উৎপাদন কমতে থাকে, যার ফলে ত্বকে বলিরেখা ও বয়সের ছাপ দেখা দেয়। বাজারজাত প্রসাধনীর পরিবর্তে সঠিক খাদ্যাভ্যাস বেছে নিলে প্রাকৃতিকভাবেই এই প্রোটিনের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব।
এটি কোলাজেনের অন্যতম সেরা উৎস। হাড় সিদ্ধ করা এই তরলে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক কোলাজেন ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান থাকে, যা ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়। নিয়মিত মাছ খেলে শরীরে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের চাহিদা পূরণ হয়। মাছে থাকা কোলাজেন ত্বকের বার্ধক্য রোধে অত্যন্ত কার্যকর। পালং শাক বা অন্যান্য সবুজ সবজিতে প্রচুর ভিটামিন-সি থাকে। এই ভিটামিন শরীরে কোলাজেন উৎপাদনে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। কমলা, লেবু ও জাম্বুরার মতো টক জাতীয় ফলে প্রচুর ভিটামিন-সি থাকে। নিয়মিত এই ফলগুলো খেলে কোলাজেন সংশ্লেষণ দ্রুত হয়। হোয়াইট টি-তে থাকা পলিফেনল শরীরের কোলাজেন প্রোটিনকে ভাঙতে বাধা দেয়। এটি বার্ধক্যের লক্ষণ প্রতিরোধে কফি বা জুসের চেয়ে বেশি কার্যকর। রসুনে থাকে সালফার, যা একটি ট্রেস মিনারেল। এটি শরীরে কোলাজেনের ভাঙন রোধ করতে এবং পুনরায় উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রোটিন ও অ্যামিনো অ্যাসিডের ভালো উৎস হলো শিম বা বিনস। এতে থাকা কপার কোলাজেন উৎপাদনে শরীরকে সাহায্য করে।
রাসায়নিক পণ্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এই খাবারগুলো রাখলে ত্বক দীর্ঘদিন সজীব ও প্রাণবন্ত থাকে।
সূত্র: হেলদিবিল্ডার্স
|