অনলাইন ডেস্ক: ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষে পুরোদমে রাজনীতিতে সময় দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান। সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, আইনি প্রক্রিয়ায় হয়রানি না করার নিশ্চয়তা পেলে তিনি দ্রুতই দেশে ফিরতে প্রস্তুত।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত সাকিবের নামে হত্যা মামলাসহ চেক জালিয়াতি ও শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির মামলা রয়েছে। এসব মামলা আইনিভাবে মোকাবিলা করার ইচ্ছা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমি আইনের মুখোমুখি হতে চাই, কিন্তু আমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আমি বিশেষ কোনো প্রটোকল চাচ্ছি না, শুধু সাধারণ নাগরিক হিসেবে আইনি প্রক্রিয়া চলাকালীন হয়রানি না করার নিশ্চয়তা চাই। এই নিশ্চয়তা কাল দেওয়া হলে আমি পরশুই দেশে ফিরব।”
আওয়ামী লীগের টিকিটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া সাকিব দলের প্রতি নিজের আনুগত্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, “আমার দল পরিবর্তন করার কোনো ইচ্ছা নেই। আমি যখন ছোট কোনো দলেও খেলেছি, সেই দলের প্রতি অনুগত ছিলাম। আমার পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই।” আওয়ামী লীগের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন যে, কাউকে আজীবন নিষিদ্ধ করে রাখা সম্ভব নয় এবং এটি মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার।
সাকিব মনে করেন, রাজনীতিতে প্রতিহিংসার সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া উচিত। তিনি বলেন, “যদি আমরা আগে ভুল করে থাকি এবং এখন সেটির পুনরাবৃত্তি হয়, তবে এই খেলা চলতেই থাকবে। কাউকে না কাউকে এই ধারা শেষ করতে হবে।” তিনি আরও বিশ্বাস করেন যে, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে মাগুরার মানুষ তাকে আবারও ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে।
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে নির্বাচিত হওয়া সাকিবের সংসদীয় মেয়াদ ছিল মাত্র সাত মাস। ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।
জান্নাত/সকালবেলা