নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝিনাইদহ: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ১৯৭১ সালে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি হিসেবে কাজ করেছে, সেটি এখন প্রতিষ্ঠিত সত্য। পার্লামেন্টে আইন পাসের মধ্য দিয়ে এই সত্যটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) ঝিনাইদহের শৈলকূপায় মে দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, জামায়াতে ইসলামীর পূর্বসূরীরা মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের বিরোধিতা করেনি, সেটি বলার নৈতিক জায়গা এখন আর দলটির নেই। এর কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, সংসদে ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সংশোধন আইন-২০২৬’ পাস করা হয়েছে। এই আইনের ধারা ২-এর উপধারা ১০-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে—১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের এ দেশীয় দোসর আল বদর, আল শামস, রাজাকার ও তৎকালীন রাজনৈতিক দল মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলামী ও জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল, তারাই মুক্তিযোদ্ধা।
মন্ত্রী আরও বলেন, এই আইনটি যখন সংসদে আনা হয়েছিল, তখন জামায়াতে ইসলামী এর বিরোধিতা করেনি। তারা সংসদে চুপ ছিল, যা মূলত তাদের সম্মতিরই লক্ষণ। অন্যদিকে, এনসিপি লিখিতভাবে এই বিলের পক্ষে তাদের অবস্থান জানিয়েছে। আসাদুজ্জামান আরও উল্লেখ করেন যে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলেও গণভোটের নির্দিষ্ট একটি অংশের প্রতারণার সঙ্গে তারা একমত নয়।
শৈলকূপা পৌর শ্রমিক দলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সভায় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান তুর্কিসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
আই.এ/সকালবেলা