দরিদ্র শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ালেন ছাত্রদল নেতা

প্রকাশ: সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ণ
দরিদ্র শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ালেন ছাত্রদল নেতা

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক অর্থাভাবী শিক্ষার্থীর অনার্স শেষ বর্ষের ভর্তি ফি জোগাতে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতা মো. তরিকুল ইসলাম তারিক। চরম আর্থিক সংকটে পড়ে পড়াশোনা বন্ধের উপক্রম হওয়া ওই শিক্ষার্থী এই মানবিক সহায়তার কল্যাণে শেষ মুহূর্তে তাঁর ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পেরেছেন।

সহায়তা প্রদানকারী মো. তরিকুল ইসলাম তারিক জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের বর্তমান যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাবির সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হল ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অন্যদিকে, উপকৃত শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র এবং বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের একজন আবাসিক শিক্ষার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয় ও হলের সূত্র থেকে জানা যায়, গত রোববার (২৪ মে) ছিল দর্শন বিভাগের অনার্স শেষ বর্ষে ভর্তির নির্ধারিত শেষ দিন। তবে ওই শিক্ষার্থীর পরিবার আকস্মিক আর্থিক সংকটে পড়ায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় ফি জোগাড় করা তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়নি। একপর্যায়ে পরিচিত এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে ছাত্রদল নেতা তারিকের কাছে বিষয়টি পৌঁছালে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাটি যাচাই করেন। এরপর মানবিক দিক বিবেচনা করে নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের (বিকাশ/নগদ) মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পুরো টাকাটি ওই শিক্ষার্থীর কাছে পাঠিয়ে দেন।

অপ্রত্যাশিত এই মানবিক সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত ওই শিক্ষার্থী কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “টাকার অভাবে আমার অনার্স শেষ বর্ষে ভর্তি হওয়া এবং পড়াশোনাটাই সম্পূর্ণ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। ভাইয়া তাৎক্ষণিকভাবে টাকাটা পাঠিয়ে দেওয়ায় আমি ঠিক সময়ে ভর্তি সম্পন্ন করতে পেরেছি। এই ঋণ শোধ করার মতো নয়।”

এই বিষয়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক বলেন, “কেবলমাত্র অর্থের অভাবে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাবে, এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই আমি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছি।” তিনি আরও যোগ করেন, “পদ-পদবির রাজনীতি বড় কথা নয়, সাধারণ শিক্ষার্থীদের যেকোনো যৌক্তিক সংকটে ও অধিকার আদায়ে পাশে দাঁড়ানোই ছাত্ররাজনীতির মূল আদর্শ হওয়া উচিত বলে আমি বিশ্বাস করি।”

এআইএল/সকালবেলা

মন্তব্য করুন