৬ মাস পূর্ণে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের জোরালো গুঞ্জন

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ণ
৬ মাস পূর্ণে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের জোরালো গুঞ্জন
জাতীয় সচিবালয়ে নিয়মিত প্রশাসনিক কার্যক্রম ও মন্ত্রিসভা বৈঠকের ফাইল ছবি।

আগামী ১৬ আগস্ট পূর্ণ হতে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের দায়িত্ব পালনের প্রথম ১৮০ দিন বা ছয় মাস। এই সময়সীমাকে ঘিরে সচিবালয় থেকে শুরু করে রাজপথের রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে—সরকারের কাজের গতি বাড়াতে এবং কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে মন্ত্রিসভায় একপ্রস্থ বড় পরিবর্তন ও নতুন মুখ সংযোজন করা হতে পারে।

সরকার ও রাজনৈতিক দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিসভার ২৪ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর বিগত ছয় মাসের সামগ্রিক কার্যক্রম নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে। নির্বাচনের ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি, ফাইল দ্রুত নিষ্পত্তির ক্ষমতা, অনিয়ম নিরসন, মাঠপ্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে গৃহীত উদ্যোগসমূহকেই মূল্যায়নের মূল মানদণ্ড ধরা হচ্ছে।

বর্তমানে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করা অন্তত ১২ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর কাজের বোঝা কমিয়ে কাজের গতি বাড়াতে দপ্তর পুনর্বণ্টন কিংবা নতুন প্রতিমন্ত্রী নিয়োগের রূপরেখা ভাবা হচ্ছে। তাছাড়া বিতর্কিত মন্তব্য বা প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে না পারা কয়েকজনকে কঠোর বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের দপ্তর পরিবর্তনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

সম্ভাব্য এই রদবদলে জায়গা পেতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অভিজ্ঞ ও বর্ষীয়ান নেতাদের পাশাপাশি সমমনা গণতান্ত্রিক জোটের শরিকদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি শীর্ষ নেতৃত্বের টেবিলে রয়েছে। আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, জাতীয় সংসদের হুইপগণ এবং যুগপৎ আন্দোলনের শীর্ষ সমমনা শরিক নেতারা।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বিষয়টি স্পষ্ট করে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, কাজের গুণগত মান বৃদ্ধি এবং কার্যকারিতা সুনিশ্চিত করতে প্রয়োজন হলে দপ্তর পুনর্বণ্টন কিংবা নতুন কাউকে অন্তর্ভুক্ত করার পূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ারের ওপর নির্ভর করছে। সুশাসন প্রতিষ্ঠা, সময়ানুবর্তিতা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েই প্রধানমন্ত্রী এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন